Header Ads

মুনশি একাডেমি

শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
নোট ও সাজেশন বিসিএস ও এনটিআরসিএ বি.এড ও ব্যাংক প্রস্তুতি

যৌবনের গান - কাজী নজরুল ইসলাম: পূর্ণাঙ্গ সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নব্যাংক

 

যৌবনের গান - কাজী নজরুল ইসলাম: পূর্ণাঙ্গ সৃজনশীল ও জ্ঞানমূলক প্রশ্নব্যাংক

 
jouboner gan kazi nazrul islam, jouboner gan probondho kazi nazrul islam, jhobon er gaan। kazi nazrul islam, kobita joboner gaan kobi kazi nazrul islam, kazi nazrul islam er song, kazi nazrul islam, kazinazrulislam, national poet kazi nazrul islam, livevediokazinazrulislam, kazi najrul islam, jouboner gan, jouboner gaan, jouboner gan hsc, hsc jouboner gan, jouboner gan mcq, jouboner gan hsc bangla, hsc bangla jouboner gan, jouboner gaan hsc, joubon er gaan mcq, goddo jouboner gan, jouboner gan oneshot class, মুনশি আলিম, মুনশি একাডেমি, munshi alim, munshi academy

আমার বলিতে দ্বিধা নাই যে, আমি আজচ তাঁহাদেরই দলে, যাঁহারা কর্মী নন ধ্যানী। যাঁহারা মানব জাতির কল্যাণ সাধন করেন সেবা দিয়া, কর্ম দিয়া, তাঁরারা মহৎ যদি না-ই হন, অন্তত ক্ষুদ্র নন। ইহারা থাকেন শক্তির পেচনে রুধির ধারা মতো গোপন, ফুলের মাঝে মাটির মমতা-রসের মতো অলক্ষ্যে।

আমি কবি-বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গান করার। কাহারও ভালো লাগিলেও গাই, ভালো না লাগিলেও গাহিয়া যাই। বায়স ভিঙে যখন বেচারা গানের পাখিকে তাড়া করে, তীক্ষ্ণ চঞ্চু দ্বারা আঘাত করে, তখনও সে এক গাছ হইতে উড়িয়া আন গাছে গিয়া গান ধরে। তাহার হাসিতে গান, তাহার কান্নায় গান। সে গান করে আপন মনোর আনন্দে-যদি তাহাতে কাহারও অলস-তন্দ্রা, মোহ-নিন্দ্রা টুটিয়ে যায়, তাহার একান্ত্র গান তারুণ্যের ভরা-ভাদরে যদি আমরা গান জোয়ার অনিয়া থাকে, তাহা আমার আগোচরে; যে চাঁদা সাগরে জোয়ার জাগায়, সে য়হত তাহার শক্তির সম্বন্ধে আজ ও না-ওয়াকিফ।

আমি বক্তাও নহি। আমি কমরবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ায় খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষ্ণণ সেন আপেক্ষা ও আমার বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারায় মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীর্ণ ভীরু ঝরনাধারায় মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল-আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।

তারুণ্যকে, যৌবনকে, আমি যেদিন হইতে গান গাহিতে শিখিয়াছি, সেদিন হইতে বারে বারে সালাম করিয়াছি, সশ্রদ্ধ নমস্কার নিবেদন করিয়াছি, জবাকুসুমসঙ্ককাশ তরুণ অরুণকে দেখিয়া প্রথম মানব মেযন করিয়া সশ্রদ্ধ নমস্কার করিয়াছিলেন, আমার প্রথম জাগরণ প্রভাবে তেমন সশ্রদ্ধ বিস্ময় লইয়া যৌবনকে অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করিয়াছি, তাহার স্তবগনা গায়িহাছি। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমিরি বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অস্ত। যৌবন সূর্য যথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলভূমি।

আমি যৌবনের পূজারী কবি বলিয়াই যদি আমার আপনারা আপনাদের মালার মধ্যমণি করিয়া থাকেন, তাহা হইলে আমার অভিযোগ করিবার কিছুই নাই। আপনাদের মহাদান আমি সানন্দে শির নত করিয়া গ্রহণ করিলাম। আপনাদের দলপতি হইয়া নয়, আপনাদের দলভুক্ত হইয়া, সহযাত্রী হইয়া। আমাদের দলে কেহ দলপতি নাই, আজ আমরা শত দিক হইতে শত শত তরুণ মিলিয়ে তারুন্যের শতদল ফুটাইয়া তুলিয়াছি। আমার সকলে মিলিয়া এক সিদ্ধি, এক ধ্যানের মৃগাণ ধরিয়া বিকশিত তহইতে চাই।

বার্ধক্য তাহাই-যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে, বৃদ্ধ তাহারাই-যাহারা মায়াচ্ছন্ন নব মানবের অভিনব জয় যাত্রার শুধু বোঝা নয়, বিঘ্ন; শতাব্দীর নব যাত্রীর চলার ছন্দে ছন্দ মিলাইয়া যাহারা কুচকাওয়াজ করিতে জানে না, পারে না; যাহারা জীব হইয়াও জড় ; যাহারা্অটল সংস্কারের পাষাণস্তূপ আঁকড়িয়া পড়িয়া আছে। বৃদ্ধ তাহারাই যাহারা নব অরুণোদয় দেখিয়া নিদ্রাভঙ্গের ভয়ে দ্বার রুদ্ধ করিয়া পড়িয়া থাকে। আলোক পিয়াসী প্রাণ চঞ্চল শিশুদের কল কোলাহলে যাহারা বিরক্ত তহইয়া অভিসম্পাত করিতে থাকে জীর্ণ পুঁতি চাপা পড়িয়া যাহাদের নাভিশ্বাস বহিতেছে, অতি জ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে যাহারা আজ কঙ্ককালসার বৃদ্ধ তাহরাই। ইহাদের ধর্মই বার্ধক্য। বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি।

আবার বহু বৃদ্ধকে দেখিয়াছি- যাঁহাদের বার্ধক্যের জীর্ণাবরণের তলে মেঘলুপ্ত সূর্যের মতো প্রদীপ্ত যৌবন। তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তন্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তারুণ্য দেখিয়াছি আরবের বেদুইনদের মাঝে, তারুণ্য দেখিয়াছি মহাসমরে সৈনিকের মুখে, কালাপাহাড়ের অসিতে, কামাল-করিম-মুসোলিনি-সানইয়াৎ লেনিনের শক্তিতে। যৌবন দেখিয়াছি তাহাদের মাঝে- যাহারা বৈমানিকরূপে অনন্ত আকাশের সীমা খুঁজিতে গিয়া প্রাণ হারায়, আবিষ্কারকরূপে নব-পৃথিবীর সন্ধানে গিয়া আর ফিরে না, গৌরীশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার শীর্ষদেশ অধিকার করিতে গিয়া যাহারা তুষার-ঢাকা পড়ে, অতল সমুদ্রের নীল মঞ্জুষার মণি আহরণ করিতে গিয়া সলিলসমাধি লাভ করে, মঙ্গলগ্রহে, চন্দ্রলোকে যাইবার পথ আবিষ্কার করিতে গিয়া নিরুদ্দেশ হইয়া যায়। পবন-গতিকে পশ্চাতে ফেলিয়া যাহারা উড়িয়া যাইতে চায়, নব নব গ্রহ-নক্ষত্রের সন্ধান করিতে করিতে যাহাদের নয়ন-মণি নিভিয়া যায়- যৌবন দেখিয়াছি সেই দুরন্তদের মাঝে। যৌবনের মাতৃরূপ দেখিয়াছি- শব বহন করিয়া যখন সে যায় শ্মশানঘাটে, গোরস্থানে, অনাহারে থাকিয়া যখন সে অন্ন পরিবেশন করে দুর্ভিক্ষ বন্যা-পীড়িতদের মুখে, বন্ধুহীন রোগীর শয্যাপার্শ্বে যখন সে রাত্রির পর রাত্রি জাগিয়া পরিচর্যা করে, যখন সে পথে পথে গান গাহিয়া ভিখারী সাজিয়া দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য ভিক্ষা করে, যখন দুর্বলের পাশে বল হইয়া দাঁড়ায়, হতাশের বুকে আশা জাগায়।

 

ইহাই যৌবন, এই ধর্ম যাহাদের তাহারাই তরুণ। তাহাদের দেশ নাই, জাতি নাই, অন্য ধর্ম নাই। দেশ-কাল-জাতি-ধর্মের সীমার ঊর্ধ্বে ইহাদের সেনানিবাস। আজ আমরা- মুসলিম তরুণেরা- যেন অকুণ্ঠিত চিত্তে মুক্তকণ্ঠে বলিতে পারি- ধর্ম আমাদের ইসলাম, কিন্তু প্রাণের ধর্ম আমাদের তারুণ্য, যৌবন। আমরা সকল দেশের, সকল জাতির, সকল ধর্মের, সকল কালের। আমরা মুরিদ যৌবনের। এই জাতি-ধর্ম-কালকে অতিক্রম করিতে পারিয়াছে যাঁহাদের যৌবন, তাঁহারাই আজ মহামানব, মহাত্মা, মহাবীর। তাহাদিগকে সকল দেশের সকল ধর্মের সকল লোক সমান শ্রদ্ধা করে।

পথ-পার্শ্বের ধর্ম-অট্টালিকা আজ পড় পড় হইয়াছে, তাহাকে ভাঙিয়া ফেলিয়া দেওয়াই আমাদের ধর্ম, ঐ জীর্ণ অট্টালিকা চাপা পড়িয়া বহু মানবের মৃত্যুর কারণ হইতে পারে। যে-ঘর আমাদের আশ্রয় দান করিয়াছে, তাহা যদি সংস্কারাতীত হইয়া আমাদেরই মাথায় পড়িবার উপক্রম করে, তাহাকে ভাঙিয়া নতুন করিয়া গড়িবার দুঃসাহস আছে একা তরুণেরই। খোদার দেওয়া এই পৃথিবীর নিয়ামত হইতে যে নিজেকে বঞ্চিত রাখিল, সে যত মোনাজাতই করুক, খোদা তাহা কবুল করিবেন না। খোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য, ভিখারীর মতো হাত তুলিয়া ভিক্ষা করিবার জন্য নয়। আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লইব। ইহাই হউক তরুণের সাধনা।

 

যৌবনের গান মূলভাব

১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জে মুসলিম যুব সমাজের অভিনন্দনের উত্তরে তাদের উদ্দেশ্যে কাজী নজরুল ইসলাম যে প্রাণোচ্ছল ভাষণ দিয়েছিলেন ‘যৌবনের গান’ রচনাটি তারই পরিমার্জিত লিখিত রূপ। এই অভিভাষণে কবি দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করেছেন। কারণ যৌবন হচ্ছে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। যৌবন মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে।

পক্ষান্তরে রক্ষণশীলতা, জড়তা, সংস্কারাচ্ছন্নতা ও পশ্চাৎপদতাময় বার্ধক্য বাধা হয়ে দাঁড়ায় জীবনের প্রাণবন্ত অগ্রগতির পথে। তাই স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে যে যৌবন দেশ-জাতি-কাল ও ধর্মের বাঁধন মানে না সেই যৌবন-শক্তিকে কবি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন সমস্ত জীর্ণ পুরানো সংস্কারকে ধ্বংস করে মনের মতো নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হতে।

 

📝 ২০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন (ক)

১. 'যৌবনের গান' রচনাটি কবির কোন স্থানে দেওয়া ভাষণের পরিমার্জিত রূপ? (উ: সিরাজগঞ্জে)

২. কবি নিজেকে কার সাথে তুলনা করেছেন? (উ: বনের পাখির সাথে)

৩. গানের পাখিকে কে তাড়া করে? (উ: বায়স বা কাক)

৪. কাদের বাণী খরস্রোতা পদ্মা বা ভাগীরথীর মতো? (উ: দিগ্বিজয়ী বক্তাদের)

৫. যৌবন সূর্য যথায় অস্তমিত, সেখানে কার লীলাভূমি? (উ: দুঃখের তিমির কুন্তলা নিশীথিনীর)

৬. নজরুল ইসলাম নিজেকে যৌবনের কী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন? (উ: পূজারী কবি)

৭. বার্ধক্য কাকে আঁকড়িয়ে পড়ে থাকে? (উ: পুরাতন, মিথ্যা ও মৃত্যুকে)

৮. কাদের নাভিশ্বাস জীর্ণ পুঁতি চাপা পড়ে বহিতেছে? (উ: অতি জ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে ভোগা বৃদ্ধদের)

৯. তারুণ্যের জয়-মুকুট কার জন্য? (উ: যার শক্তি অপরিমাণ এবং গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়)

১০. আরবের কাদের মাঝে কবি তারুণ্য দেখেছেন? (উ: বেদুইনদের মাঝে)

১১. মৃত্যু কার মুঠিতলে থাকে? (উ: তরুণের)

১২. কবি মহাসমরে কার মুখে তারুণ্য দেখেছেন? (উ: সৈনিকের মুখে)

১৩. কালাপাহাড়ের কীসে তারুণ্য বিদ্যমান? (উ: অসিতে বা তলোয়ারে)

১৪. তরুণের প্রাণের ধর্ম কী? (উ: তারুণ্য ও যৌবন)

১৫. জীর্ণ অট্টালিকা ভেঙে নতুন করে গড়ার দুঃসাহস কার আছে? (উ: একা তরুণের)

১৬. খোদা হাত দিয়েছেন কেন? (উ: বেহেশতি চিজ অর্জন করার জন্য)

১৭. ১৯৩২ সালে কোন সমাজের সম্মেলনে নজরুল এই ভাষণ দেন? (উ: মুসলিম যুব সমাজের)

১৮. 'মার্তন্ড' শব্দের অর্থ কী? (উ: সূর্য)

১৯. তিমির বিদারী কে? (উ: তরুণ অরুণ বা নবীন সূর্য)

২০. কবি কার মুরিদ হতে বলেছেন? (উ: যৌবনের)

 

 

 

📝 ২০টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন (খ)

 

১. "আমি আজ তাঁহাদেরই দলে, যাঁহারা কর্মী নন ধ্যায়ী"বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

২. কবি নিজেকে কেন 'বনের পাখি' বলেছেন?

৩. "যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত নিজের শক্তি সম্বন্ধে না-ওয়াকিফ"ব্যাখ্যা করো।

৪. নজরুল কেন নিজেকে বক্তা হিসেবে অস্বীকার করেছেন?

৫. "যৌবন সূর্য যথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি"উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।

৬. "বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না"কেন?

৭. বৃদ্ধ বলতে কবি কাদের বুঝিয়েছেন?

৮. "যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি"বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৯. তরুণের জয়-মুকুট পাওয়ার শর্তগুলো কী কী?

১০. বৈমানিক ও আবিষ্কারকদের মাঝে কবি কীভাবে যৌবন দেখেছেন?

১১. যৌবনের 'মাতৃরূপ' বলতে কী বোঝায়?

১২. "তাহাদের দেশ নাই, জাতি নাই, অন্য ধর্ম নাই"কাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং কেন?

১৩. জীর্ণ অট্টালিকা ভেঙে ফেলা কেন আমাদের ধর্ম হওয়া উচিত?

১৪. "ভিখারীর মতো হাত তুলিয়া ভিক্ষা করিবার জন্য নয়"কেন এ কথা বলা হয়েছে?

১৫. মোনাজাত কবুল হওয়ার শর্ত হিসেবে কবি কী বলেছেন?

১৬. "আমরা মুরিদ যৌবনের"উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

১৭. তারুণ্যকে কেন 'আলোর দেবতা' বলা হয়েছে?

১৮. বার্ধক্য কীভাবে নব যাত্রীর চলার ছন্দে বিঘ্ন ঘটায়?

১৯. "জীর্ণ পুঁতি চাপা পড়িয়া যাহাদের নাভিশ্বাস বহিতেছে"বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

২০. "আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লইব"কীভাবে?

 

 

 

যৌবনের গান সৃজনশীল প্রশ্ন

১. অবসরপ্রাপ্ত ফারুক সাহেবের কাঁচাপাকা চুল, মুখে বয়সের ছাপ। দেখলে মনে হয় তার যথেষ্ট বয়স হয়েছে। কিন্তু রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো, রাস্তার গর্ত ভরাট করা প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজে নিরবচ্ছিন্ন পরামর্শ প্রদানে তার কোনো ক্লান্তি নেই। এছাড়া পাড়ার ছেলেমেয়েদের নিয়ে বাল্যবিবাহ রোধ, স্কুলগামী মেয়েদের স্কুলে পাঠানো, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে পাঠানো- এ সমস্ত মানবিক কাজে তিনি সহযোগিতা করে থাকেন। মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

ক. গানের পাখিকে তাড়া করে কে?
খ. ‘আমি আজ তাঁহাদেরই দলে, যাহারা কর্মী নন- ধ্যানী, এখানে ‘ধ্যানী’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে এবং কেন?
গ. উদ্দীপকে ফারুক সাহেবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “বার্ধক্যকে সমসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না”- উক্তিটি উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের প্রসঙ্গে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধ অনুসরণে আলোচনা কর।

২. যুবকেরা পাগল, বারুদের মতো সহজেই তাদের মনে প্রতিবাদী চেতনার সৃষ্টি হয়। কারাগারে ফাঁসিতে কিছুতেই তাদের দর্পিত প্রাণ কাবু হয় না। এদের স্থিরতা, বীরত্ব, গাম্ভীর্য, ধর্মভয়, বিনয় জ্ঞান বলতে কিছু নেই। ওরা সত্যিই পাগল, বাষ্পীয় ইঞ্জিনে আবদ্ধ শক্তি বলা যায়।

ক. ‘বনের পাখির মতো গান করা স্বভাব’- কার?
খ. কবি তরুণদের দলভুক্ত হতে চেয়েছেন কেন?
গ. অনুচ্ছেদে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে বর্ণিত যুবকের কোন রূপটি প্রকাশ পেয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “অনুচ্ছেদে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে আংশিক বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে”- মন্তব্যটির যৌক্তিক মূল্যায়ন কর।

 

 

 

 

 

আশা করি, আজকের এই আলোচনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে এবং এখান থেকে নতুন কিছু জানতে পেরেছেন। শিক্ষা, সাহিত্য প্রযুক্তির এমন আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত আমাদের ব্লগের সাথেই থাকুন।

মুনশি একাডেমি (Munshi Academy) সব সময় চেষ্টা করে আপনাদের সামনে নির্ভুল মানসম্মত কন্টেন্ট উপস্থাপন করতে। আমাদের এই পোস্টটি যদি আপনাদের উপকারে আসে, তবে অন্যদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

 

📖 আরও পড়ুন (নির্বাচিত কন্টেন্ট)

আপনার পঠন অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে নিচের প্রবন্ধগুলো দেখে নিতে পারেন:

 

  • একাডেমি/ চাকরির প্রস্তুতি:

 

o   📌 বাংলা ব্যাকরণ

 

o   📌 বিসিএস প্রস্তুতি

 

o   📌 ব্যাংক প্রস্তুতি

 

 

 

আরও দেখুন ক্লাস বিষয়ক ভিডিও:

 

 

আরও পড়ুন

 ব্যক্তিত্ব ও জীবনী সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত সমৃদ্ধ প্রবন্ধ

 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মজার মজার তথ্য-উপাত্ত বিষয়ক প্রবন্ধ

📌 বিজ্ঞান জিজ্ঞাসা

 

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন (Stay Connected):

যেকোনো জিজ্ঞাসা বা পরামর্শের জন্য আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। এছাড়া আমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে নিচের লিঙ্কগুলো ভিজিট করুন:

 

আমাদের অনলাইন কোর্স কিনতে চাইলে:

এইচএসসি বাংলা ১ম এবং বাংলা ২য় পত্র (পিডিএফ শিট)

🟢 সরাসরি অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

 

ধন্যবাদান্তে,

মুনশি একাডেমি টিম

 

 

 

 

 


 

 


 

 

 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.