বাংলা ভাষারীতি: সাধু ও চলিত ভাষার সহজ পাঠ
বাংলা ভাষারীতি: সাধু ও চলিত ভাষার সহজ পাঠ
![]() |
বাংলা ভাষারীতি |
বাংলা ভাষার রীতি বা ভাষাশৈলী আমাদের দৈনন্দিন যোগাযোগ ও সাহিত্যিক প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভাষারীতি বোঝার মাধ্যমে আমরা শুধুমাত্র কথ্য বা লিখিত ভাষা শুদ্ধভাবে ব্যবহার করতে পারি না, বরং আমাদের চিন্তাভাবনা এবং ভাব প্রকাশের ক্ষমতাও সমৃদ্ধ হয়। বাংলা ভাষার রীতি প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত—সাধু ভাষা এবং চলিত ভাষা।
সাধু ভাষা কী?
সাধু ভাষা হলো বাংলা ভাষার ঐতিহ্যবাহী, আনুষ্ঠানিক ও শুদ্ধ রূপ। এটি মূলত সাহিত্যিক ও গদ্যভাষায় ব্যবহৃত হয়। সাধু ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো:
শুদ্ধ শব্দচয়ন এবং ব্যাকরণগত নিখুঁততা
অলঙ্কার ও গদ্যসৌন্দর্য বজায় রাখা
সাধারণত কথ্য ব্যবহারে কম ব্যবহার হয়, তবে সাহিত্য, প্রবন্ধ ও সরকারি নথিতে প্রচলিত
উদাহরণ: “তিনি বিদ্যালয়ে গমন করিলেন।”
সাধু ভাষা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্নের বিষয় হয়ে থাকে।
চলিত ভাষা কী?
চলিত ভাষা হলো দৈনন্দিন কথ্য ভাষা, যা সহজ, স্বাভাবিক এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়। চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য হলো:
সরল ও সহজ শব্দচয়ন
কথ্য ব্যবহারকে কেন্দ্র করে গঠিত
ব্যাকরণ কিছুটা নমনীয় এবং প্রাকৃতিক
উদাহরণ: “সে স্কুলে গেল।”
চলিত ভাষা শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য বোঝা সহজ, তাই দৈনন্দিন যোগাযোগে এর ব্যবহার বেশি।
৩. সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য
নিচের টেবিলে দুটির মূল পার্থক্য তুলে ধরা হলো:
| বৈশিষ্ট্য | সাধু ভাষা | চলিত ভাষা |
|---|---|---|
| ব্যবহার ক্ষেত্র | সাহিত্য, প্রবন্ধ, সরকারি নথি | দৈনন্দিন কথ্য ভাষা |
| শব্দচয়ন | শুদ্ধ, অলঙ্কার সমৃদ্ধ | সরল ও স্বাভাবিক |
| ব্যাকরণ | কঠোরভাবে শুদ্ধ | কিছুটা নমনীয় ও প্রাকৃতিক |
| উচ্চারণ | অলংকারসমৃদ্ধ, ধীর ও সুস্পষ্ট | সহজ, স্বাভাবিক ও দ্রুত উচ্চারণ |
| উদাহরণ | “তাঁর চিঠি পড়িলাম।” | “আমি তার চিঠি পড়লাম।” |
৪. বাংলা ভাষার রীতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা
বাংলা ভাষা দীর্ঘ ইতিহাস ধরে বিকশিত হয়েছে। এ ভাষার রীতি বা ভাষাশৈলী বোঝার মাধ্যমে আমরা সহজে ভাষার শুদ্ধতা ও ব্যঞ্জনা বজায় রাখতে পারি। সাধারণত যে বিষয়গুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কমন প্রশ্নের বিষয় হয় তা হলো:
সাধু ও চলিত ভাষার ব্যবহার সঠিকভাবে চিহ্নিত করা
কথ্য ও সাহিত্যিক ভাষার পার্থক্য নির্ণয় করা
গদ্য ও পদ্যভাষার রীতিগত শৈলী বোঝা
সুতরাং, সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য জানা শিক্ষার্থীর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে যে কেউ বাংলা সাহিত্য ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে চায়। ভাষারীতি শুধুমাত্র ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার নিশ্চিত করে না, বরং আমাদের ভাব প্রকাশের ক্ষমতাকেও সমৃদ্ধ করে।
বাংলা ভাষা
মানুষ তার মনের ভাব অন্যের কাছে প্রকাশ করার জন্য কত কিছুই না করে, তাই না? কখনো অঙ্গভঙ্গি, কখনো ইশারা, ইঙ্গিত আবার কখনো বা কন্ঠধ্বনির সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনির সমষ্টি। কন্ঠধ্বনি ছাড়া বাকি সবকিছু যেমন হাত,পা, মুখ এবং চোখ ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাহায্যে মানুষ ইঙ্গিত করে থাকে। কন্ঠধ্বনির সাহায্যে মানুষ যত বেশি পরিমাণ মনোভাব প্রকাশ করতে পারে, অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাহায্যে ততটা পারে না। কন্ঠধ্বনি বলতে মুখগহ্বর,কন্ঠ,নাক,ঠোট ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত বোধগম্য ধ্বনি বা ধ্বনি সমষ্টিকে বোঝায়। এই ধ্বনির সাহায্যে ভাষার সৃষ্টি হয়। বাগযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনির সাহায্যে মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমকে ভাষা বলে। আর তাই ভাষার সংজ্ঞায় আমরা বলতে পারি “মনের ভাব প্রকাশের জন্য, বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত ধধ্বনির দ্বারা নিষ্পন্ন কোন বিশেষ জনসমাজে ব্যবহৃত, স্বতন্ত্রভাবে অবস্থিত, তথা বাক্যে প্রযুক্ত, শব্দ সমষ্টিকে ভাষা বলে। ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি। তবে ভাষার মেীলিক উপাদান শব্দ আর ভাষার প্রাণ হলো অর্থপূর্ণ বাক্য। বাক্য ভাষার মূল উপকরণ । কারণ একটি সম্পূর্ণ বাক্যই ভাষার প্রাণ । বাক্য ব্যতীত ভাষা প্রাণহীন। এখানে মনে রাখতে হবে মূল উপাদান এবং মৌলিক উপাদান । মেীলিক উপাদান শব্দ কারণ শব্দেই প্রথম অর্থের সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়। ভাষার প্রধান উদ্দেশ্য যেহেতু অর্থবাচকতা প্রকাশ করা,সেহেতু শব্দ ভাষার মেীলিক উপাদান। প্রত্যেক ভাষারই ৪টি মেীলিক অংশ থাকে।যথা: ক.ধ্বনি খ. শব্দ গ.অর্থ ঘ.বাক্য। দেশ,কাল ও পরিবেশভেদে ভাষার পার্থক্য ও পরিবর্তন ঘটে। ভাষা ও ব্যাকরণের মধ্যে ভাষা আগে সৃষ্টি হয়েছে।মূলত ভাষাকে শাসন করার জন্যই ব্যাকরণের সৃষ্টি। বাংলাদেশ ছাড়া ও পশ্চিমবঙ্গ,ত্রিপুরা,বিহার,উাড়ষ্যা ও আসামের কয়েকটি অঞ্চলের মানুষের ভাষাবাংলা ভাষা। বাংলা ভাষার মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ হল অর্থদ্যোতকতা,মানুষের কন্ঠনিঃসৃত ধ্বনি এবং জনসমাজে ব্যবহারের যোগ্যতা। বাক্য ভাষার মূল উপকরণ।কারণ একটি সম্পূর্ণ বাক্যই ভাষার প্রাণ।বাক্য ব্যতীত ভাষা প্রাণহীন। ভাষার গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট এথনোলগের ২০২০ সালের ২২তম সংস্করণের পরিসংখ্যান আমাদের জানাচ্ছে, পৃথিবীজুড়ে মোট বাংলাভাষীদের সংখ্যা প্রায় ২৬ কোটি ৫০ লাখের কিছু বেশি। মাতৃভাষা হিসেবে বিশ্ব-ভাষা তালিকায় বাংলার অবস্থান পঞ্চম এবং ব্যবহারীর সংখ্যা বিবেচনায় বাংলা ভাষা সারা বিশ্বের সপ্তম প্রধান ভাষা । তবে ভাষা গবেষকদের ধারণা এর পরিমাণ ২৮ কোটি হবে । পৃথিবীর প্রায় ৩ শতাংশ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে ।
বাংলা ভাষারীতি- সাধু ও চলিত ভাষা
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য জানার আগে আমরা সাধু ও চলিত ভাষা কী তা ভাল ভাবে জানব।আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ কয়টি? তখন কি উত্তর দিবেন? হয়ত বলবেন সাধু ও চলিত রীতি।কিন্তু না বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ হচ্ছে দুইটি। যথা: ১. মৌখিক বা কথ্য (চলিত ও আঞ্চলিক বা উপভাষা) ও ২. লৈখিক বা লেখ্য (সাধু ও চলিত)। বাংলা ভাষার মেীখিক রুপ আবার দুই ধরনের যথা চলিত ভাষা ও আঞ্চলিক বা উপভাষা। লৈখিক রুপ ও আবার দুই ধরনের যথা সাধু ও চলিত। সাধু ও চলিত হচ্ছে বাংলা ভাষার রীতি। সাধু ভাষা প্রাচীনকাল থেকেই সাহিত্যের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের শুরু থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। সাধু ভাষা ছিল সাহিত্যিক ও কৃত্রিম ভাষা। সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
১৮০০ সালে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ সূচিত হয়। মূলত এ সময়ই সাধু ভাষার আবির্ভাব কাল । উনিশ শতকের শুরুর দিকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজকে কেন্দ্র করে বাংলা গদ্য চর্চা শুরু হয়। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে উইলিয়াম কেরি উইলিয়াম কেরি ও তার সহকর্মীগণ গদ্যের প্রয়োজন উপলব্ধি করেন এবং তাদের প্রচেষ্টায় গদ্যের আবির্ভাব হয়। বাংলা গদ্যের প্রথম যুগে সাধু রীতির ব্যাপক প্রচলন ছিল। রাজা রামমোহন রায় প্রথম সাধু ভাষার প্রয়োগ করেন। তিনি তাঁর "বেদান্ত গ্রন্থ" রচনাটিতে প্রথম সাধু ভাষা ব্যবহার করেছিলেন।
সাধু ভাষার সংজ্ঞা হিসেবে বলা যায় যে ভাষা রীতিতে ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের পূর্ণরুপ ব্যবহার করা হয় তাকে সাধু ভাষা বলে। সাধারণত সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো দীর্ঘতর হয়। সহজে আমরা এই জিনিসটাকেই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকি সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য নির্ণয় করার জন্য। যা মোটে ও কাম্য নয়। প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যিক নিদর্শনে সাধুভাষার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাংলা সাহিত্যে 'চলিত ভাষা'র প্রচলন শুরু হতে থাকে। তৎকালীন সময়ের কিছু গদ্যলেখক পণ্ডিতি সাহিত্যের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে এসে আপামর জনসাধারণের ‘কথ্য ভাষায় সাহিত্য রচনায় ব্রতী হন এবং সফল হন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন প্রমথ চৌধুরী । তিনিই প্রথম চলিত ভাষায় সাহিত্য রচনা শুরু করেন এবং 'সবুজপত্র' (১৯১৪) সাহিত্য পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতিকে সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেন। যার কারণে তাকে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়।সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে। চলিত ভাষার আদর্শরূপ থেকে গৃহীত ভাষাকে বলা হয় প্রমিত ভাষা। চলিত ভাষার অন্যতম বৈশিষ্ট্য প্রমিত উচ্চারণ। কলকাতা অঞ্চলের মেীখিক ভাষাকে ভিত্তি করে চলিত ভাষা গড়ে উঠেছে। চলিত ভাষারীতির প্রবর্তনে প্রমথ চৌধুরীর অবদান অনস্বীকার্য। আঞ্চলিক ভাষা কী? বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে আঞ্চলিক ভাষা বলে। আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা। আক্ষরিক অর্থে উপভাষা বলতে ‘ভাষা'র চেয়ে একটু নিম্ন বা কিছুটা কম মর্যাদাসম্পন্ন ভাষাকে বোঝায়। পৃথিবীর সব ভাষারই উপভাষা আছে।
বাংলা ভাষার উপভাষা মোট ৫টি। যথা:
ক. রাঢ়ি (পশ্চিম ও মধ্যবঙ্গ),
খ. ঝাড়খণ্ডি (দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গ, সিংভূম, মানভূম, পুরুলিয়া অঞ্চল)
গ. বরেন্দ্র (উত্তরবঙ্গ),
ঘ. বঙ্গালি (পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ববঙ্গ, বাংলাদেশ) ও
ঙ. কামরুপি ( উত্তর-পূর্ববঙ্গ,কোচবিহার,কাছাড়)
সাধু রীতি ও চলিত ভাষার পার্থক্য (বিস্তারিত)
| বৈশিষ্ট্য | সাধু ভাষা | চলিত ভাষা |
|---|---|---|
| রীতি | ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে এবং পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত | পরিবর্তনশীল |
| শব্দচয়ন | গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল | তদ্ভব শব্দবহুল |
| নাটক/বক্তৃতা | নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী | নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় উপযোগী |
| সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ | এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে | পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে |
| সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গ | পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয় | সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয় |
| ধ্বন্যাত্নক শব্দ | প্রাধান্য নেই | প্রাধান্য আছে (যেমন-হনহন, ঝনঝন, গণগনে) |
| অব্যয় পদ | অভিন্নভাবে ব্যবহৃত | অভিন্নভাবে ব্যবহৃত |
সাধু ও চলিত ভাষার বিভিন্ন পদের রূপভেদ
| পদ | সাধু ভাষা | চলিত ভাষা |
|---|---|---|
| বিশেষ্য পদ | জুতা, জোসনা/জ্যোৎস্না, তুলা, পূজা, মস্তক, সুতা, সর্প, হস্ত | জুতো, জোছনা, তুলো, পূজো, মাথা, সুতো, সাপ, হাত |
| বিশেষণ পদ | কিয়ৎক্ষণ, বন্য, রঙ্গিন, সাতিশয়, শুষ্ক/শুকনা | কিছুক্ষণ, বুনো, রঙিন, অত্যন্ত, শুকনো |
| সর্বনাম পদ | উহা, তাহাকে, তাঁহার, তাঁহারা | ওটা, তাকে, তাঁর, তারা |
| অব্যয় (অনুসর্গ) | অপেক্ষা, পূর্বেই, সহিত, হইতে, দ্বারা, নিমিত্ত, ব্যতীত | দিয়ে, আগেই, সাথে, হতে, দিয়ে, জন্য/জন্যে, ছাড়া |
| ক্রিয়া পদ | আসিয়া, করিল, করিয়া, খুলিয়া, দেন নাই, হউক, দেখিয়া, পড়িল, পড়িয়াছেন, ফুটিয়া, রহিয়াছে, হইয়া, লেখা | এসে, করল, করে, খুলে, দেন নি, হোক, দেখে, পড়ল, পড়েছেন, ফুটে, রয়েছে, হয়ে, লেখা |
সাধু ও চলিত ভাষার বাক্যে প্রয়োগ
| সাধু ভাষায় | চলিত ভাষায় |
|---|---|
| যে কথা একবার জমিয়ে বলা গিয়াছে, তাহার পর তা ফেনাইয়া ব্যাখ্যা করা চলে না’। | যে কথা একবার জমে বলা গেছে, তার পর তা ফেনিয়ে ব্যাখ্যা করা চলে না। |
| অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল। | তারপর তারা চলে গেল। |
| এইরূপ সাদৃশ্য অনেক চক্ষে পড়িবে। | এরকম সাদৃশ্য অনেক চোখে পড়বে। |
| সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না। | সে আসবে বলে ভরসাও করছি না। |

কোন মন্তব্য নেই