Header Ads

মুনশি একাডেমি

শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
নোট ও সাজেশন বিসিএস ও এনটিআরসিএ বি.এড ও ব্যাংক প্রস্তুতি

মাধ্যমিক শিক্ষকদের ৫৬ দিনের বেসিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করল মাউশি

 

মাধ্যমিক শিক্ষকদের ৫৬ দিনের বেসিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করল মাউশি

 
মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ, Secondary Teacher Training, ৫৬ দিনের বেসিক প্রশিক্ষণ, 56 Days Basic Training, মাউশি নির্দেশনা, DSHE Directive, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ, Mandatory Training, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা, Teacher Professional Development, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, Directorate of Secondary and Higher Education, শিক্ষাক্রম বিস্তরণ, Curriculum Dissemination, টিআইএ প্রশিক্ষণ, TIA Training, সরকারি স্কুল শিক্ষক, Government School Teachers, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক, MPO Listed Teachers, শিক্ষা সংস্কার, Education Reform, মানসম্মত শিক্ষা, Quality Education, প্রশিক্ষণ মডিউল, Training Module, মাউশি আপডেট, DSHE Update, শিক্ষক বাতায়ন, Shikkhok Batayon, ডিজিটাল লিটারেসি, Digital Literacy, শিক্ষা সংবাদ, Education News Bangladesh, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং, In-Service Training, প্যাডাগোজি প্রশিক্ষণ, Pedagogy Training, টিটিসি প্রশিক্ষণ, TTC Training.

 

মুনশি একাডেমি ডেস্ক | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং আধুনিক শ্রেণিকক্ষের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নবীন শিক্ষকদের জন্য ৫৬ দিনব্যাপী বুনিয়াদি (বেসিক) প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে জারি করা এক আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, কার্যকর পাঠদানে শিক্ষকদের সক্ষম করে তুলতে এই প্রশিক্ষণ এখন থেকে অপরিহার্য হিসেবে গণ্য হবে।

 

প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় পরিচালিত 'লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন' (লেইস) প্রকল্পের আওতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্যগুলো হলো:

  • মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করা।

  • শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার (Dropout) হার কমিয়ে আনা।

  • শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতার স্থায়ী উন্নয়ন সাধন করা।

 

কাদের জন্য এই প্রশিক্ষণ?

দেশের ১৪টি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (টিটিসি) মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। প্রধানত ৪০ বছরের কম বয়সী নবীন শিক্ষকদের আধুনিক শিখন-তত্ত্ব ও কৌশল হাতে-কলমে রপ্ত করানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। এটি জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-৪) বা গুণগত শিক্ষা অর্জনের একটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি।

 

মাউশির কড়া বার্তা

মাউশির আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ইতিমধ্যে দুটি নিয়মিত ও একটি পাইলট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান মনোনীত শিক্ষকদের ছাড়পত্র দিতে অনীহা প্রকাশ করছেন এবং কিছু শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নিতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে মাউশি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, মনোনীত শিক্ষকদের অনিবার্য কারণ ব্যতিরেকে এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এই নির্দেশ কঠোরভাবে অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.