Header Ads

মুনশি একাডেমি

শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
নোট ও সাজেশন বিসিএস ও এনটিআরসিএ বি.এড ও ব্যাংক প্রস্তুতি

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ও ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’ | সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

 আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ও ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’ | সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটোগল্পের লেখক আর্নেস্ট হোমিংওয়ে। বলা হয়ে থাকে তিনি মাত্র ৬ শব্দে গল্পটি রচনা করেছিলেন। “Baby shoes. For sale. Never worn.” অর্থাৎ বাচ্চার জুতা বিক্রি হবে। কখনও ব্যবহৃত হয়নি। আপাতদৃষ্টিতে বোঝা যায় না। শানেনুযুল হলো-কোনো একটি বাচ্চার জন্য জুতা কেনা হয়েছিল। কিন্তু বাচ্চাটা মায়ের গর্ভেই মারা গেছে। এই বিশ্বখ্যাত লেখক পৃথিবীকে অবাক করে দেওয়ার মতো আরও একটি বই লিখেছিলেন- ‘The Old Man and the Sea’ বা এক বুড়ো আর সমুদ্র। বইটির জন্য লেখক ১৯৫৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। মজার বিষয় হলো উপন্যাসটিতে কোনো নারী চরিত্র নেই!

“He was an old man who fished alone in a skiff in the Gulf Stream and he had gone eighty four days now without taking a fish. In the First forty days a boy had been with him.”  (বুড়ো একা, বড়ো একা। ওর ডিঙ্গি নৌকাটা নিয়ে একা একা মাছ ধরতে যায় সমুদ্রে। গত চুরাশি দিন একটা মাছও ধরতে পারেনি। প্রথম চল্লিশ দিন একটা ছেলে ছিলে তার সাথে।) - এভাবেই উপন্যাসটির শুরু। এক প্রাচীন বৃদ্ধের কথা। এক আদিম জীবন্ত, ভয়াবহ, সুন্দর সমুদ্রের কথা। সমুদ্রের গভীর তলদেশ থেকে উঠে আসা এক অসাধারণ মার্লিন মাছের কথা। সর্বোপরি এক অনন্ত জীবনসংগ্রামের কথা। এ যেনো এক চলমান জীবনের বেঁচে থাকার প্রাত্যহিক লড়াই’র প্রতীকী ছবি। এ জীবন হার মানতে জানে না। জয় বা পরাজয়ে সমান নির্বিকার। বাঁচার তাগিদে কেবল লড়াই চালিয়ে যায়।

 

আরও সংক্ষিপ্ত করে বললে বলতেই হয়- হাভানার উপসাগরীয় অঞ্চলে একজন বুড়ো সান্তিয়াগো, একজন কিশোর আর একটা দানব আকৃতির মার্লিন মাছকে নিয়ে রচিত হয়েছে হেমিংওয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় উপন্যাস ‘দ্য ওল্ড ম্যান এণ্ড দ্য সি’। এখানে অঙ্কিত হয়েছে দুঃখ আর সময়োত্তীর্ণ এমন সব সৌন্দর্য যা মানুষের যাপিত জীবনের উপাদানগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।

 

আমেরিকার ইলিওনিসের ওকপার্কে ১৮৮৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন আর্নেস্ট হোমিংওয়ে। চিকিৎসক পিতার ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ১৮১৭ সালে তিনি তরুণ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিলেও এর স্থায়িত্ব বেশি দিন হয়নি। তিনি দীর্ঘদিন অ্যাম্বুলেন্সের চালকও ছিলেন।  পরপর কয়েকবার অ্যাকসিডেন্ট করে গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে তিনি আর অ্যাম্বুলেন্সের কথা মুখে আনেননি। পরবর্তীতে সাহিত্যে মনোনিবেশ করেন। ‘দ্য টরেন্টস অব স্প্রিং’ ব্যঙ্গধর্মী উপন্যাসটি প্রথম তাঁকে বেশি পরিচিত করে তোলে।  বড়ো জন্তু শিকার ও সমুদ্রে মাছ ধরা ছিলো তাঁর নেশা। আর সে প্রভাবই যেনো আমরা দেখতে পাই তাঁর ‘দ্য ওল্ড ম্যান এণ্ড দ্য সি’ উপন্যাসে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.