Header Ads

মুনশি একাডেমি

শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
নোট ও সাজেশন বিসিএস ও এনটিআরসিএ বি.এড ও ব্যাংক প্রস্তুতি

পাত্রী দেখা: মুনশি আলিমের একটি হাসির ও রম্য ছোটগল্প

 

পাত্রী দেখা, Matrimony Visit, মুনশি আলিম, Munshi Alim, রম্য গল্প, Humorous Story, বাংলা ছোটগল্প, Bengali Short Story, মামা-ভাগ্নে, Uncle and Nephew, হাসির গল্প, Funny Story, বিয়ের পাত্রী, Bride Seeing, সামাজিক বিড়ম্বনা, Social Awkwardness, ভুল বোঝাবুঝি, Misunderstanding, মধ্যবিত্ত জীবন, Middle Class Life, সিলেট, Sylhet, মেহমানদারি, Hospitality, কনে দেখা, Groom and Bride, মজার ঘটনা, Amusing Incident, বাংলা সাহিত্য, Bengali Literature, মানিব্যাগ, Wallet, অপ্রস্তুত অবস্থা, Embarrassing Moment, রম্য রচনা, Satirical Piece, হালকা মেজাজের গল্প, Lighthearted Tale.

 পাত্রী দেখা: মুনশি আলিমের একটি হাসির ও রম্য ছোটগল্প

পাত্রী দেখা - মুনশি আলিম


মামা হঠাৎ কল দিয়ে বললোভাগিনা, খালকে একটু সকাল সকাল আইছ; পাত্রী দেখাত যাইতাম। বালা সুট-কোট ফড়িয়া আইছ। কদিন থেকেই মামা তার ভাতিজার জন্য পাত্রী দেখছেন। কিন্তু কোথাও ষোলকলা পূর্ণ হচ্ছে না।

আমরা সকাল দশাটার দিকে রওয়ানা দিলাম। প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আমরা পাত্রীর বাসায় উপস্থিত হলাম। পাত্রী কোথায়? জিজ্ঞেস করতেই পাত্রীর নানি মুচকি হেসে বললোআগে খাওয়া-দাওয়া শেষ খরিলাইন ... ।  যে কথা সেইকাজ। প্রথম পর্ব ভালোভাবেই শেষ হলো।

দ্বিতীয় পর্বে এসেই আমার অস্বস্থিবোধ শুরু হলো। বাড়ির মেয়েছেলে, জোয়ান, বুড়া অনেকেই কেমন যেনো আড়চোখে তাকাচ্ছে। আবার অনেকেই দরজার পর্দা একটু সরিয়ে লুকোচুরি-দৃষ্টিতে দেখছে। আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই পাত্রী এসে আমার বাম দিকে বসল। একেবারে সাদাসিদে কিন্তু ভারি মিষ্টি।

আমি মামার দিকে তাকিয়ে ক্ষীণস্বরে বললামদারুণ! মামা দ্রুত অন্দরমহলে গেলেন। মিনিট দুয়েক কাটিয়ে এসে আমাকে বললেনএখন তো উটি যাইতাম অইব। আমি বললামজিঅয়। বিদায়মুহূর্তে অন্দরমহলের কে যেনো বেশ জোরেশোরেই বললোদুজনকে খুব মানাবে! পাত্র খুব স্মার্ট! কথাটি শোনামাত্রই আমি ঘামতে শুরু করলাম।

মামা আমার কানে ফিসফিস করে বললেনখইন্যাবেটিরে কিছু দিতে নায়নি? এতক্ষণে বিষয়টা দিনের মতোই পরিষ্কার হয়ে গেল। আমি কয়েকবার ঢুক গিলে মানিব্যাগ বের করলাম। আর মনে মনে মামার ওপর ভীষণ রাগান্বিত হলাম। সর্বমোট ৬০০ টাকা আছে। নিজের গাড়িভাড়াটা শুধু রেখে অবশিষ্ট ৫০৫ টাকা কন্যার হাতে দিলাম। গণনার প্রয়োজন নেই বলেই আমার মুখের ঘাম মুছার বৃথা চেষ্টা করতে লাগলাম।

সবাইকে সালাম দিয়ে বাসা থেকে বের হতেই মামাকে বললামহালার হালা!  মামা অট্টহাসিতে ফেটে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর আমিও মামার সঙ্গে শরীক হলাম।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.