প্রমিত বাংলা বানানের ৬৫টি নিয়ম
বাংলা বানান শেখার ৬৫টি নিয়ম
১. দূরত্ব বোঝায়না এরূপ শব্দেউ-কার যোগে
‘দুর’ (‘দুর’ উপসর্গ)বা ‘দু+রেফ’হবে।
যেমন— দুরবস্থা, দুরন্ত,দুরাকাঙ্ক্ষা, দুরারোগ্য, দুরূহ,দুর্গা, দুর্গতি, দুর্গ,দুর্দান্ত, দুর্নীতি, দুর্যোগ,দুর্ঘটনা, দুর্নাম, দুর্ভোগ,দুর্দিন, দুর্বল, দুর্জয়ইত্যাদি।
২. দূরত্ব বোঝায় এমনশব্দে ঊ-কারযোগে ‘দূর’ হবে।
যেমন— দূর, দূরবর্তী, দূর-দূরান্ত, দূরীকরণ, অদূর,দূরত্ব, দূরবীক্ষণইত্যাদি।
৩. পদের শেষে
‘-জীবী’ ঈ-কারহবে।
যেমন— চাকরিজীবী, পেশাজীবী,শ্রমজীবী, কৃষিজীবী, আইনজীবীইত্যাদি।
৪. পদের শেষে
‘-বলি’ (আবলি) ই-কার হবে।
যেমন— কার্যাবলি, শর্তাবলি,ব্যাখ্যাবলি, নিয়মাবলি, তথ্যাবলিইত্যাদি।
৫. ‘স্ট’ এবং
‘ষ্ট’ ব্যবহার: বিদেশিশব্দে ‘স্ট’ ব্যবহারহবে। বিশেষ করেইংরেজি st যোগে শব্দগুলোতে
‘স্ট’ ব্যবহার হবে।
যেমন—পোস্ট, স্টার,স্টাফ, স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড,স্ট্যাটাস, মাস্টার, ডাস্টার,পোস্টার, স্টুডিও, ফাস্ট,লাস্ট, বেস্ট ইত্যাদি।ষত্ব-বিধান অনুযায়ীবাংলা বানানে ট-বর্গীয় বর্ণে ‘ষ্ট’ব্যবহার হবে।
যেমন— বৃষ্টি, কৃষ্টি,সৃষ্টি, দৃষ্টি, মিষ্টি,নষ্ট, কষ্ট, তুষ্ট,সন্তুষ্ট ইত্যাদি।
৬. ‘পূর্ণ’ এবং
‘পুন’ (পুনঃ/পুন+রেফ/
পুনরায়) ব্যবহার ‘পূর্ণ’
(ইংরেজিতে Full/Complete অর্থে) শব্দটিতেঊ-কার এবংর্ণ যোগে ব্যবহারহবে।
যেমন— পূর্ণরূপ, পূর্ণমান,সম্পূর্ণ, পরিপূর্ণ ইত্যাদি।
‘পুন’ (পুনঃ/পুন+রেফ/পুনরায়— ইংরেজিতে
Re-অর্থে) শব্দটিতে উ-কার হবে এবংঅন্য শব্দটির সাথেযুক্ত হয়ে ব্যবহারহবে।
যেমন— পুনঃপ্রকাশ, পুনঃপরীক্ষা,পুনঃপ্রবেশ, পুনঃপ্রতিষ্ঠা, পুনঃপুন,
পুনর্জীবিত, পুনর্নিয়োগ, পুনর্নির্মাণ,পুনর্মিলন, পুনর্লাভ, পুনর্মুদ্রিত,পুনরুদ্ধার, পুনর্বিচার, পুনর্বিবেচনা,পুনর্গঠন, পুনর্বাসন ইত্যাদি।
৭. পদের শেষে’-গ্রস্থ’ নয় ‘-গ্রস্ত’হবে।
যেমন— বাধাগ্রস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত,হতাশাগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত ইত্যাদি।
৮. অঞ্জলি দ্বারাগঠিত সকল শব্দেই-কার হবে।
যেমন— অঞ্জলি, গীতাঞ্জলি,শ্রদ্ধাঞ্জলি ইত্যাদি।
৯. ‘কে’ এবং
‘-কে’ ব্যবহার: প্রশ্নবোধকঅর্থে ‘কে’ (ইংরেজিতে
Who অর্থে) আলাদা ব্যবহারহয়।
যেমন— হৃদয় কে?প্রশ্ন করা বোঝায়না এমন শব্দে
‘-কে’ এক সাথেব্যবহার হবে।
যেমন—হৃদয়কে আসতেবলো।
১০. বিদেশি শব্দেণ, ছ, ষ ব্যবহার হবে না।
যেমন— হর্ন, কর্নার,সমিল (করাতকল), স্টার,আস্সালামু আলাইকুম, ইনসান,বাসস্ট্যান্ড ইত্যাদি।
১১. অ্যা, এ ব্যবহার: বিদেশি বাঁকাশব্দের উচ্চারণে ‘অ্যা’ব্যবহার হয়।
যেমন— অ্যান্ড (And), অ্যাড
(Ad/Add), অ্যাকাউন্ট (Account), অ্যাম্বুলেন্স(Ambulance), অ্যাসিস্ট্যান্ট(Assistant), অ্যাডভোকেট (Advocate), অ্যাকাডেমিক (Academic), অ্যাডভোকেসি (Advocacy) ইত্যাদি।
অবিকৃত বা সরলভাবেউচ্চারণে ‘এ’ হয়।যেমন—এন্টার (Enter), এন্ড
(End), এডিট (Edit) ইত্যাদি।
১২. ইংরেজি বর্ণ
S-এর বাংলা প্রতিবর্ণহবে ‘স’ এবং
sh, -sion, -tion শব্দগুচ্ছে ‘শ’ হবে।
যেমন— সিট (Seat/Sit), শিট, (Sheet), রেজিস্ট্রেশন (Registration), মিশন (Mission) ইত্যাদি।
১৩. আরবি বর্ণ
ﺵ ( শিন)-এর বাংলাবর্ণ রূপ হবে
‘শ’ এবং ﺙ ( সা
) , ﺱ ( সিন) ও ﺹ ( সোয়াদ)-এর বাংলা বর্ণ
রূপ হবে ‘স’। ﺙ ( সা ) , ﺱ ( সিন)ও ﺹ ( সোয়াদ)-এরউচ্চারিত রূপ মূলশব্দের মতো হবেএবং বাংলা বানানেরক্ষেত্রে ‘স’ ব্যবহারহবে।
যেমন— সালাম, শাহাদত,শামস্, ইনসান ইত্যাদি।আরবি, ফারসি, ইংরেজিও অন্যান্য ভাষাথেকে আগত শব্দসমূহেছ, ণ ও ষ ব্যবহার হবেনা।
১৪. শ ষ স তৎসম শব্দেষ ব্যবহার হবে।খাঁটি বাংলা ও বিদেশি শব্দে ষ ব্যবহার হবে না।বাংলা বানানে ‘ষ’ ব্যবহারের জন্য অবশ্যইষত্ব-বিধান, উপসর্গ,সন্ধি সম্পর্কে ধারণাথাকতে হবে। বাংলায়অধিকাংশশব্দের উচ্চারণে
‘শ’ বিদ্যমান। এমনকি
‘স’ দিয়ে গঠিতশব্দেও ‘শ’ উচ্চারণহয়। ‘স’-এরস্বতন্ত্র উচ্চারণ বাংলায়খুবই কম। ‘স’-এর স্বতন্ত্র উচ্চারণহচ্ছে— সমীর, সাফ,সাফাই। যুক্ত বর্ণ,ঋ-কার ও র- ফলা যোগেযুক্তধ্বনিতে ‘স’-এরউচ্চারণ পাওয়া যায়।
যেমন— সৃষ্টি, স্মৃতি,স্পর্শ, স্রোত, শ্রী,
আশ্রম ইত্যাদি।
১৫. সমাসবদ্ধ পদও বহুবচন রূপীশব্দগুলোর মাঝে ফাঁকরাখা যাবে না।
যেমন— চিঠিপত্র, আবেদনপত্র,ছাড়পত্র (পত্র), বিপদগ্রস্ত,হতাশাগ্রস্ত (গ্রস্ত), গ্রামগুলি/গ্রামগুলো (গুলি/গুলো),রচনামূলক (মূলক), সেবাসমূহ
(সমূহ), যত্নসহ, পরিমাপসহ
(সহ), ত্রুটিজনিত, (জনিত),আশঙ্কাজনক, বিপজ্জনক (জনক),অনুগ্রহপূর্বক, উল্লেখপূর্বক
(পূর্বক), প্রতিষ্ঠানভুক্ত, এমপিওভুক্ত,এমপিওভুক্তি (ভুক্ত/ভুক্তি),গ্রামভিত্তিক, এলাকাভিত্তিক, রোলভিত্তিক
(ভিত্তিক), অন্তর্ভুক্তকারণ, এমপিওভুক্তকরণ,প্রতিবর্ণীকরণ (করণ),
আমদানিকারক, রফতানিকারক (কারক),কষ্টদায়ক, আরামদায়ক (দায়ক),স্ত্রীবাচক (বাচক), দেশবাসী,গ্রামবাসী, এলাকাবাসী (বাসী),সুন্দরভাবে, ভালোভাবে (ভাবে),চাকরিজীবী, শ্রমজীবী (জীবী),সদস্যগণ (গণ), সহকারী,আবেদনকারী, ছিনতাইকারী (কারী),সন্ধ্যাকালীন, শীতকালীন (কালীন),জ্ঞানহীন (হীন), দিনব্যাপী,মাসব্যাপী, বছরব্যাপী (ব্যাপী)ইত্যাদি। এ ছাড়াযথাবিহিত, যথাসময়, যথাযথ,যথাক্রমে, পুনঃপুন, পুনঃপ্রকাশ,পুনঃপরীক্ষা, পুনঃপ্রবেশ, পুনঃপ্রতিষ্ঠা,বহিঃপ্রকাশ শব্দগুলো একত্রেব্যবহার হয়।
১৬. বিদেশি শব্দেই-কার ব্যবহারহবে। যেমন— আইসক্রিম,স্টিমার, জানুয়ারি, ফ্রেরুয়ারি,ডিগ্রি, চিফ, শিট,শিপ, নমিনি, কিডনি,ফ্রি, ফি, ফিস,স্কিন, স্ক্রিন, স্কলারশিপ,পার্টনারশিপ, ফ্রেন্ডশিপ, স্টেশনারি,নোটারি, লটারি, সেক্রেটারি,টেরিটরি, ক্যাটাগরি, ট্রেজারি,ব্রিজ, প্রাইমারি, মার্কশিট,গ্রেডশিট ইত্যাদি।
১৭. উঁয়ো (ঙ) ব্যবহার যোগে কিছুশব্দ।
এক্ষেত্রে অনুস্বার (ং) ব্যবহার করা যাবেনা।
যেমন— অঙ্ক, অঙ্কন,অঙ্কিত, অঙ্কুর, অঙ্গ,অঙ্গন, আকাঙ্ক্ষা, আঙ্গুল/আঙুল, আশঙ্কা, ইঙ্গিত,উলঙ্গ, কঙ্কর, কঙ্কাল,গঙ্গা, চোঙ্গা/চোঙা,টাঙ্গা, ঠোঙ্গা/ঠোঙা,দাঙ্গা, পঙ্ক্তি, পঙ্কজ,পতঙ্গ, প্রাঙ্গণ, প্রসঙ্গ,বঙ্গ, বাঙালি/বাঙ্গালি,ভঙ্গ, ভঙ্গুর, ভাঙ্গা/ভাঙা, মঙ্গল, রঙ্গিন/রঙিন, লঙ্কা, লঙ্গরখানা,লঙ্ঘন, লিঙ্গ, শঙ্কা,শঙ্ক, শঙ্খ, শশাঙ্ক,শৃঙ্খল, শৃঙ্গ, সঙ্গ,সঙ্গী, সঙ্ঘাত, সঙ্গে,হাঙ্গামা, হুঙ্কার।
১৮. অনুস্বার (ং) ব্যবহার যোগে কিছুশব্দ।
এক্ষেত্রে উঁয়ো (ঙ) ব্যবহার করা যাবেনা।
যেমন— কিংবদন্তী, সংজ্ঞা,সংক্রামণ, সংক্রান্ত,
সংক্ষিপ্ত, সংখ্যা, সংগঠন,সংগ্রাম, সংগ্রহ, সংগৃহীত।
[দ্রষ্টব্য:বাংলা ও বাংলাদেশশব্দ দুটি অনুস্বার
(ং) দিয়ে লিখতেহবে। বাংলাদেশের সংবিধানেতাই করা হয়েছে।]
১৯. ‘কোণ, কোনও কোনো’-এরব্যবহার কোণ : ইংরেজিতে
Angle/Corner (∠) অর্থে।
কোন : উচ্চারণ হবেকোন্। বিশেষত
প্রশ্নবোধক অর্থে ব্যবহারকরা হয়।
যেমন— তুমি কোনদিকে যাবে?
কোনো : ও-কারযোগে উচ্চারণ হবে।
যেমন— যেকোনো একটিপ্রশ্নের উত্তর দাও।
২০. বাংলা ভাষায়চন্দ্রবিন্দু একটি গুরুত্বপূর্ণবর্ণ। চন্দ্রবিন্দু যোগেশব্দগুলোতে চন্দ্রবিন্দু ব্যবহারকরতে হবে; নাকরলে ভুল হবে।অনেক ক্ষেত্রে চন্দ্রবিন্দুব্যবহার না করলেশব্দে অর্থের পরিবর্তনঘটে। এ ছাড়াচন্দ্রবিন্দু সম্মানসূচক বর্ণহিসেবেও ব্যবহার করাহয়।
যেমন— তাহাকে>তাঁহাকে,তাকে>তাঁকে ইত্যাদি।
২১. ও-কার:অনুজ্ঞাবাচক ক্রিয়া পদএবং বিশেষণ ও অব্যয় পদ বাঅন্য শব্দ যারশেষে ও-কারযুক্ত না করলেঅর্থ অনুধাবনে ভ্রান্তিবা বিলম্ব সৃষ্টিহতে পারে এমনশব্দে ও-কারব্যবহার হবে।
যেমন— মতো, হতো,হলো, কেনো (ক্রয়করো), ভালো, কালো,আলো ইত্যাদি। বিশেষক্ষেত্র ছাড়া ও-কার ব্যবহার করাযাবে না।
যেমন— ছিল, করল,যেন, কেন (কীজন্য), আছ, হইল,রইল, গেল, শত,যত, তত, কত,এত ইত্যাদি।
২২. বিশেষণবাচক আলিপ্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে।
যেমন— সোনালি, রুপালি,বর্ণালি, হেঁয়ালি, খেয়ালি,মিতালি ইত্যাদি।
২৩. জীব, -জীবী,জীবিত, জীবিকা ব্যবহার।
যেমন— সজীব, রাজীব,নির্জীব, চাকরিজীবী, পেশাজীবী,জীবিত, জীবিকা।
২৪. অদ্ভুত, ভুতুড়েবানানে উ-কারহবে। এ ছাড়াসকল ভূতে ঊ-কার হবে।
যেমন— ভূত, ভস্মীভূত,বহির্ভূত, ভূতপূর্ব ইত্যাদি।
২৫. হীরা ও নীল অর্থে সকলবানানে ঈ-কারহবে।
যেমন— হীরা, হীরক,নীল, সুনীল, নীলক,নীলিমা ইত্যাদি।
২৬. নঞর্থক পদগুলো
(নাই, নেই, না,নি) আলাদা করেলিখতে হবে।
যেমন— বলে নাই,বলে নি, আমারভয় নাই, আমারভয় নেই, হবেনা, যাবে না।
২৭. অ-তৎসমঅর্থাৎ তদ্ভব, দেশি,বিদেশি, মিশ্র শব্দেই-কার ব্যবহারহবে।
যেমন— সরকারি, তরকারি,গাড়ি, বাড়ি, দাড়ি,শাড়ি, চুরি, চাকরি,মাস্টারি, মালি, পাগলামি,পাগলি, বোমাবাজি, দাবি,হাতি, বেশি, খুশি,হিজরি, আরবি, ফারসি,ফরাসি, ইংরেজি, জাপানি,জার্মানি, ইরানি, হিন্দি,সিন্ধি, ফিরিঙ্গি, সিঙ্গি,ছুরি, টুপি, দিঘি,কেরামতি, রেশমি, পশমি,পাখি, ফরিয়াদি, আসামি,বেআইনি, কুমির, নানি,দাদি, বিবি, চাচি,মাসি, পিসি, দিদি,বুড়ি, নিচু।
২৮. ত্ব, তা,নী, ণী, সভা,পরিষদ, জগৎ, বিদ্যা,তত্ত্ব শব্দের শেষেযোগ হলে ই-কার হবে।
যেমন— দায়িত্ব (দায়ী),প্রতিদ্বন্দ্বিতা (প্রতিদ্বন্দ্বী),প্রার্থিতা (প্রার্থী), দুঃখিনী
(দুঃখী), অধিকারিণী (অধিকারী),সহযোগিতা (সহযোগী), মন্ত্রিত্ব,মন্ত্রিসভা, মন্ত্রিপরিষদ (মন্ত্রী),প্রাণিবিদ্যা, প্রাণিতত্ত্ব, প্রাণিজগৎ,প্রাণিসম্পদ (প্রাণী) ইত্যাদি।
২৯. ঈ, ঈয়,অনীয় প্রত্যয় যোগঈ-কার হবে।
যেমন— জাতীয় (জাতি),দেশীয় (দেশি ), পানীয়
(পানি), জলীয়, স্থানীয়,স্মরণীয়, বরণীয়, গোপনীয়,ভারতীয়, মাননীয়, বায়বীয়,প্রয়োজনীয়, পালনীয়, তুলনীয়,শোচনীয়, রাজকীয়, লক্ষণীয়,করণীয়।
৩০. রেফের পরব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্বহবে না৷
যেমন— অর্চনা, অর্জন,অর্থ, অর্ধ, কর্দম,কর্তন, কর্ম, কার্য,গর্জন, মূর্ছা, কার্তিক,বার্ধক্য, বার্তা, সূর্য৷
৩১. ভাষা ও জাতিতে ই-কারহবে। যেমন— বাঙালি/বাঙ্গালি, জাপানি, ইংরেজি,জার্মানি, ইরানি, হিন্দি,আরবি, ফারসি ইত্যাদি।
৩২. ব্যক্তির ‘-কারী’-তে (আরী) ঈ-কার হবে।
যেমন— সহকারী, আবেদনকারী,ছিনতাইকারী, পথচারী, কর্মচারীইত্যাদি। ব্যক্তির ‘-কারী’নয়, এমন শব্দেই-কার হবে।
যেমন— সরকারি, দরকারিইত্যাদি।
৩৩. প্রমিত বানানেশব্দের শেষে ঈ-কার থাকলে –গণযোগে ই-কারহয়।
যেমন— সহকারী>সহকারিগণ,কর্মচারী>কর্মচারিগণ,
কর্মী>কর্মিগণ, আবেদনকারী>আবেদনকারিগণ
ইত্যাদি।
৩৪. ‘বেশি’ এবং
‘-বেশী’ ব্যবহার: ‘বহু’,
‘অনেক’ অর্থে ব্যবহারহবে
‘বেশি’। শব্দেরশেষে
যেমন— ছদ্মবেশী, প্রতিবেশীঅর্থে ‘-
বেশী’ ব্যবহার হবে।
৩৫. ‘ৎ’-এরসাথে স্বরচিহ্ন যোগহলে ‘ত’ হবে।
যেমন— জগৎ>জগতেজাগতিক, বিদ্যুৎ>বিদ্যুতে বৈদ্যুতিক, ভবিষ্যৎ>ভবিষ্যতে, আত্মসাৎ>আত্মসাতে, সাক্ষাৎ>সাক্ষাতে ইত্যাদি।
৩৬. ইক প্রত্যয়যুক্ত হলে যদিশব্দের প্রথমে অ-কার থাকে তাপরিবর্তন হয়ে আ-কার হবে।
যেমন— অঙ্গ>আঙ্গিক,বর্ষ>বার্ষিক,
পরস্পর>পারস্পরিক, সংস্কৃত>সাংস্কৃতিক, অর্থ>আর্থিক,পরলোক>পারলৌকিক, প্রকৃত>প্রাকৃতিক, প্রসঙ্গ>প্রাসঙ্গিক,সংসার>সাংসারিক, সপ্তাহ>সাপ্তাহিক, সময়>সাময়িক,সংবাদ>সাংবাদিক,প্রদেশ>প্রাদেশিক, সম্প্রদায়>সাম্প্রদায়িকইত্যাদি।
৩৭. সাধু থেকেচলিত রূপের শব্দসমূহযথাক্রমে দেখানো হলো:
আঙ্গিনা>আঙিনা, আঙ্গুল>আঙুল, ভাঙ্গা>ভাঙা,রাঙ্গা>রাঙা, রঙ্গিন>রঙিন, বাঙ্গালি>বাঙালি,লাঙ্গল>লাঙল, হউক>হোক, যাউক>যাক,থাউক>থাক, লিখ>লেখ, গুলি>গুলো,শুন>শোন, শুকনা>শুকনো, ভিজা>ভেজা,ভিতর>ভেতর, দিয়া>দিয়ে, গিয়া>গিয়ে,হইল>হলো, হইত>হতো, খাইয়া>খেয়ে,থাকিয়া>থেকে, উল্টা>উল্টো, বুঝা>বোঝা,পূজা>পুজো, বুড়া>বুড়ো, সুতা>সুতো,তুলা>তুলো, নাই>নেই, নহে>নয়,নিয়া>নিয়ে, ইচ্ছা>ইচ্ছে ইত্যাদি।
৩৮. হয়তো, নয়তোবাদে সকল তোআলাদা হবে।
যেমন— আমি তোযাই নি, সেতো আসে নিইত্যাদি।
[দ্রষ্টব্য: মূল শব্দেরশেষে আলাদা তো
ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে।]
৩৯. ঙ, ঞ, ণ, ন, ং বর্ণের পূর্বে ঁ হবে না।
যেমন— খান (খাঁ),চান, চন্দ (চাঁদ),পঞ্চ, পঞ্চাশ (পাঁচ)ইত্যাদি।
৪০. -এর, -এ ব্যবহার:
=> চিহ্নিত শব্দ/বাক্যবা উক্তির সাথেসমাসবদ্ধ রূপ।
যেমন— গুলিস্তান ‘ভাসানীহকি ষ্টেডিয়াম’-এরসাইনবোর্ডে স্টেডিয়াম বানানটিভুল।
=> শব্দের পরে যেকোনোপ্রতীকের
সাথে সমাসবদ্ধ রূপ।যেমন— বিসর্গ (ঃ )-এর সঙ্গে স্বরধ্বনিকিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যেসন্ধি হয়, তাকেবিসর্গসন্ধি বলে।
=> বিদেশি শব্দ অর্থাৎবাংলায় প্রতিবর্ণীকরণ নয়এমন শব্দের সাথেসমাসবদ্ধ রূপ। যেমন—
SMS-এর মাধ্যমে টাকাপাঠাতে হবে।
=> গাণিতিক শব্দের সাথেসমাসবদ্ধ রূপ। যেমন—৫-এর চেয়ে২ কম।
৪১. এগুলো ছাড়াও বিভিন্নভাবেভুল ব্যবহারের প্রবণতাদিন দিন বৃদ্ধিপাচ্ছে। এখন অনেকেইভাবতে শুরু করেছে—ঈ-কারের পরিবর্তেই-কার ব্যবহারবা, ই-কারেরপরিবর্তে ঈ-কারব্যবহার তেমন কোনোভুল নয়। রাজীবকেলিখছে রাজিব, সজীবকেলিখছে সজিব। আবারবলে নাম হিসেবেই-কার বা,ঈ-কার ভুলনয়! আমাদের অবশ্যইজানা উচিত এ ধারণাটি সবক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্যনয়। অর্থবহ কিছুশব্দ আছে—যানাম হিসেবেও ব্যাকরণবিধিমেনে চলতে হবে।যেমন— রাজীব, সজীব,নীল, রবীন্দ্র, রবিইত্যাদি। অর্থাৎ অর্থবহবাংলা শব্দ দ্বারাগঠিত নাম। যাদেরএ সম্পর্কে ধারণাআছে—তারা নামহিসেবেও অর্থবহ শব্দেরশুদ্ধ ব্যবহার করতেজানে।
৪২. আওয়ামী লীগ,ছাত্রলীগ বানানের বেলায়ঈ-কার ব্যবহারকরা হচ্ছে। এটিতাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে জড়িয়ে।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলেশুদ্ধরূপে লিখতেও পারে—না লিখতেও পারে।কিন্তু আপনি যখনফুটবল লিগ, ক্রিকেটলিগ, এই লিগ,সেই লিগ লিখবেনতখন অবশ্যই ই-কার ব্যবহার করতেহবে।
৪৩. ইংরেজি ‘Academy’ শব্দের বাংলা প্রতিবর্ণীকরণ হলো অ্যাকাডেমি। তবে বাংলা
অ্যাকাডেমির নাম যেমন আছে তেমনটি লিখতে হবে। অর্থাৎ ‘ বাংলা একাডেমি’ লিখতে হবে।
৪৪. এতদ্দ্বারা সকলের /সর্বসাধারণের অবগতির জন্যজানানো যাচ্ছে যে,
...। এভাবে না লিখেএভাবে লেখা উচিত—এতদ্দ্বারা সকলকে /সর্বসাধারণকেঅবগত করা যাচ্ছেযে, ...। বা,এতদ্দ্বারা সকলকে /সর্বসাধারণকেজানানো যাচ্ছে যে,
...। কারণ ‘অবগত’ ও ‘জানানো’ শব্দ দুটিএকই অর্থে ব্যবহৃত।
৪৫. বিভিন্ন আবেদনপত্রেদেখা যায়, একইবক্সে বিভাগ/শ্রেণি/জিপিএ লেখা হয়েথাকে। এখানে বিভাগ/শ্রেণি/জিপিএ নালিখে ফলাফল লেখাইশ্রেয়। এতে পরিচ্ছন্নতাবৃদ্ধি পায়।
৪৬. -এর, -এ, কে এবং -কে ব্যবহার
শব্দেরপরে যেকোনো প্রতীকেরসাথে সমাসবদ্ধ রূপ।যেমন— হাদিস রাসুল
(সা.)-এর বাণী।
বিদেশিশব্দ অর্থাৎ বাংলায়প্রতিবর্ণীকরণ নয়এমন শব্দের সাথেসমাসবদ্ধ রূপ। যেমন—
SMS-এর মাধ্যমে টাকাপাঠাতে হবে।
গাণিতিকশব্দের সাথে সমাসবদ্ধরূপ। যেমন— ৫-এর চেয়ে ২ কম। ১৯৭১-এরসময়।
সংক্ষিপ্তশব্দের সাথে সমাসবদ্ধরূপ। যেমন— অ্যাগ্রোকোম্পানি লি.-এরসাথে চুক্তি।
প্রশ্নবোধকঅর্থে ‘কে’ (ইংরেজিতে
Who অর্থে) আলাদা ব্যবহারহয়। যেমন— হৃদয়কে?
প্রশ্নকরা বোঝায় নাএমন শব্দে ‘-কে’একসাথে ব্যবহার হবে।যেমন— হৃদয়কে আসতেবলো।
চিহ্নিতবাক্য বা উক্তিরসাথে সমাসবদ্ধ রূপ।যেমন— গুলিস্তান ‘ভাসানীহকি ষ্টেডিয়াম’-এরসাইনবোর্ডে স্টেডিয়াম বানানটিভুল।
৪৭. নামোজ্জ্বলে ‘-কে’ ‘-এর’ ব্যবহারঃ
নাম বিচিত্রবর্ণে সাজানোর ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ ‘-কে’‘-এর’-কে হাইফেন দ্বারা আলাদা করা যায়। যেমন—
মাসুদ-কে ভোট দিন (এখানে মাসুদ লেখাটি বিচিত্ররূপ ধারণ করবে)
রানা-এর আগমন (এখানে রানা লেখাটি বিচিত্ররূপ ধারণ করবে)
রানা-র আগমন (এখানে রানা লেখাটি বিচিত্ররূপ ধারণ করবে)
এ ছাড়া সরলভাবে বাক্য গঠনে ‘-কে’,
‘-এর’ এবং ‘-এ’-কে একসাথে লিখতে হবে। যেমন– জনস্বার্থে মাসুদকে ভোট দিন।
৪৮. ঢাকায় রানার আগমন।
‘-কে’ এবং ‘-এর’-কে আলাদা করতেহলে অবশ্যই হাইফেন
( -) ব্যবহার করতে হবে।অনেকেই ভুলবশত হাইফেনব্যবহার করে না।এক্ষেত্রে লোপচিহ্ন ব্যবহারকরা যাবে না।
৪৯. শব্দ গঠনে –এর /-এ ব্যবহার হবেনা। যেমন– রং-এ নয় রঙে,ভাই-এর নয়ভাইয়ের, বউ-এরনয় বউয়ের, যাচাই-এ নয় যাচাইয়ে,অফিস-এর নয়অফিসের, শুটিং-এরনয় শুটিংয়ের, বাংলাদেশ-এর নয় বাংলাদেশের,কোম্পানি-এর নয়কোম্পানির, শিক্ষক-এরনয় শিক্ষকের, স্টেডিয়াম-এ নয় স্টেডিয়ামেলিখতে হবে।
৫০. সংক্ষিপ্ত শব্দের সাথে সমাসবদ্ধ রূপ। যেমন—
অ্যাগ্রো কোম্পানি লি.-এর সাথে চুক্তি।
এ ছাড়া পৃথক রূপে ব্যবহার করা যাবে না।
যেমন— বাংলাদেশ-এর না লিখে বাংলাদেশের, কোম্পানি-এর না লিখে কোম্পানির, শিক্ষক-এর না লিখে শিক্ষকের, স্টেডিয়াম-এ না লিখে স্টেডিয়ামে, অফিস-এ না লিখে অফিসে লিখতে হবে।
৫১.* সাধারণ বর্তমান কালে সাধু ও চলিত ভাষায় সমাপিকা ক্রিয়ার ক্রিয়াবিভক্তির বদল ঘটে না। ক্রিয়ার ধাতুটির বদল করা গেলে তা করতে হবে। যেমন: 'গমন করি' থাকলে চলিতে 'যাই' হবে, 'ভোজন করি' থাকলে 'খাই' হবে, কিন্তু 'দেখি', 'বলি', 'শুনি' ইত্যাদি ক্রিয়া সাধু ও চলিত, উভয় ভাষাতে এক রূপেই ব্যবহৃত হতে পারে।
৫২. যেসব তৎসম শব্দে ই ঈ বা উ ঊ উভয় শুদ্ধ কেবল সেসব শব্দে ই বা উ এবং তার কারচিহ্ন ি, ু হবে। যেমন: খঞ্জনি, চিৎকার, চুল্লি, তরণি, ধমনি, ধরণি, নাড়ি, পঞ্জি, পদবি, পল্লি, ভঙ্গি, মসি, যুবতি, রচনাবলি, লহরি, শ্রেণি, সরণি, সূচিপত্র; উর্ণা, উষা।
৫৩. বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনি পদ্ধতি অনুযায়ী লিখতে হবে। যেমন : কাগজ, জাদু, জাহাজ, জুলুম, জেব্রা, বাজার, হাজার। তবে, ইসলাম ধর্ম-সংক্রান্ত কয়েকটি শব্দে বিকল্পে ‘য' লেখা যেতে পারে। যেমন : আযান, ওযু, কাযা, নামায, মুয়াযযিন, রমযান, হযরত।
৫৪. বাংলা অ-ধ্বনির উচ্চারণ বহু ক্ষেত্রে ও-র মতো হয়। শব্দশেষের এসব অ-ধ্বনি ও- কার দিয়ে লেখা যেতে পারে। যেমন : কালো, খাটো, ছোটো, ভালো; এগারো, বারো, তেরো, পনেরো, ষোলো, সতেরো, আঠারো; করানো, খাওয়ানো, চড়ানো, চরানো, চালানো, দেখানো, নামানো, পাঠানো, বসানো, শেখানো প্রভৃতি।
৫৫. ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞায় শব্দের আদিতেও ও-কার লেখা যেতে পারে। যেমন : কোরো, বোলো, বোসো।
৫৬. বাংলায় বিদেশি শব্দের শুরুতে বর্ণবিশ্লেষণ সম্ভব নয়। এগুলো যুক্তবর্ণ দিয়ে লিখতে হবে। যেমন : স্টেশন, স্ট্রিট, প্রিং। তবে অন্য ক্ষেত্রে বিশ্লেষণ করা যায়। যেমন : মার্কস, শেকসপিয়র, ইসরাফিল।
৫৭.হস-চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করা হবে। যেমন : কলকল, কলরোল, কাত, চট, চেক, জজ, ঝরঝর, টক, টন, টাক, ডিশ, তছনছ, ফটফট, বললেন, শখ, হুক। তবে, যদি অর্থবিভ্রান্তি বা ভুল উচ্চারণের আশঙ্কা থাকে তহলে হস-চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫৮. বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে ‘ষ’ ব্যবহারের প্রয়ােজন নেই। যেমন : কিশমিশ, নাশতা, পোশাক, বেহেশত, শখ, শয়তান, শরবত, শরম, শহর, শামিয়ানা, শার্ট, শৌখিন, আপস, জিনিস, মসলা, সন, সাদা, সাল (বৎসর), স্মার্ট, হিসাব, স্টল, স্টাইল, স্টিমার, স্ট্রিট, স্টুডিয়ো, স্টেশন, স্টোর। ইসলাম, তসলিম, মুসলমান, মুসলিম, সালাত, সালাম, এশা, শাওয়াল, শাবান।
৫৯. ব্যক্তির ‘-কারী’ বা
‘-আরী’-তে ঈ-কার হবে। যেমন
— সহকারী, উপকারী, অধিকারী,আবেদনকারী, পথচারী, কর্মচারীইত্যাদি। এমনটা নয়
— সেখানে ই-কারহয়। যেমন — সরকারি,দরকারি, তরকারি, শিকারিইত্যাদি।
৬০. ‘ৎ’-এর সাথে স্বরচিহ্নযোগ হলে ‘ত’ হবে। যেমন — জগৎ>জগতে জাগতিক, বিদ্যুৎ>বিদ্যুতে বৈদ্যুতিক, ভবিষ্যৎ>ভবিষ্যতে, আত্মসাৎ>আত্মসাতে,সাক্ষাৎ>সাক্ষাতে ইত্যাদি।
৬১. প্রমিত বানানে শব্দেরশেষে ঈ-কারথাকলে – গণ যোগেই-কার হয়।যেমন — সহকারী>সহকারিগণ,কর্মচারী>কর্মচারিগণ, কর্মী>কর্মিগণ, আবেদনকারী>আবেদনকারিগণইত্যাদি।
৬২.পরিবর্তিত বানান
নবী, কালবৈশাখী, কাহিনী,পরী, পল্লী, তরী,তরণী, তীর, শ্রেণী,বয়সী, পীর, লণ্ডভণ্ড,ভাণ্ডার, ত্রিপল, উপলক্ষ-এগুলো প্রচলিত ভুলবনান।
প্রমিত বানান হচ্ছেযথাক্রমে নবি, কালবৈশাখি,কাহিনি, পরি, পল্লি,তরি, তরণি, তির,শ্রেণি, বয়সি, পির,লন্ডভন্ড, ভান্ডার, তিরপল,উপলক্ষ্য।
৬৩.ঙ, ঞ, ণ, ন, ম, ং বর্ণগুলোর পূর্বে ঁ হবে না। অর্থাৎ ঙ, ঞ, ণ, ন, ম, ং = ঁ। যেমন — খান=খাঁ, চান/চন্দ/চন্দ্র=চাঁদ, পঞ্চ=পাঁচ, ফান্দ=ফাঁদ, গাঞ্জা=গাঁজা, চান্দা=চাঁদা, অঙ্কন=আঁকা, কঙ্কণ=কাঁকন, হংস=হাঁস, অন্ধকার/আন্ধার=আঁধার, বন্ধন=বাঁধন/বাঁধা, কণ্টক=কাঁটা, ক্রন্দন/কান্দা=কাঁদা, ইন্দুর=ইঁদুর, বান্দর=বাঁদর, সিন্দূর=সিঁদুর, চম্পা=চাঁপা ইত্যাদি।
৬৪. ভুল/ভূল
' ভুল’বানান লিখতে হবেহ্রস্ব-উকার দিয়ে।
৬৫. ভুত ও ভুত
অদ্ভুত ছাড়া সবভূতই ঊ-কারদিয়ে লিখতে হবে।
যেমন : ভূত, প্রভূত,অভিভূত,পরাভূত, কিম্ভূত

কোন মন্তব্য নেই