Header Ads

মুনশি একাডেমি

শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
নোট ও সাজেশন বিসিএস ও এনটিআরসিএ বি.এড ও ব্যাংক প্রস্তুতি

চিত্রা রিসোর্ট: নড়াইলের চিত্রা নদীর তীরে এক শান্ত স্বর্গরাজ্য

 

চিত্রা রিসোর্ট: নড়াইলের চিত্রা নদীর তীরে এক শান্ত স্বর্গরাজ্য

 
চিত্রা রিসোর্ট নড়াইল, chitra resort narail, নড়াইল জেলার চিত্রা রিসোর্ট, নড়াইলের চিত্রা রিসোর্ট, narail chitra resort, chitra resort narail room, narail jilla r chitra resort, নড়াইল ভ্রমন | chitra resort tour, khulna to narail chitra resort, chittra resort narail, চিএা রিসোর্ট নড়াইল, narailer chittra resort, চিত্রা রিসোর্ট, চিত্রা রেসর্ট নড়াইল, চিত্রা রিসোর্ট খুলনা, চিত্রা রিসোর্টের ভাড়া, #chitra resort # beautiful chitra river view# narail# bd#, চিত্রা রিসোর্ট পিকনিক স্পট,চিত্রা রিসোর্ট, নড়াইল ভ্রমণ, Chitra Resort, চিত্রা নদী, নড়াইল ট্যুরিজম

Chitra Resort, Narail


ভূমিকা

নড়াইল জেলার প্রাণ হিসেবে পরিচিত চিত্রা নদীর পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে অসম্ভব সুন্দর এক বিনোদন কেন্দ্র—চিত্রা রিসোর্ট (Chitra Resort)। প্রায় ৭ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই রিসোর্টটি পর্যটকদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয় কারণ এখানে একই সাথে গ্রামীণ শান্ত প্রকৃতি এবং আধুনিক আভিজাত্যের ছোঁয়া পাওয়া যায়। চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের স্মৃতিবিজড়িত এই চিত্রা নদীর মায়াবী রূপ উপভোগ করার জন্য এটি দেশের অন্যতম সেরা স্থান। পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য এটি একটি আদর্শ পিকনিক স্পট ও অবকাশ যাপন কেন্দ্র। নদীর তীর ঘেঁষে দীর্ঘ ওয়াকওয়ে এবং চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর কটেজগুলো পর্যটকদের এক অন্য জগতে নিয়ে যায়।

 

কোথায় অবস্থিত?

এটি নড়াইল জেলা শহরের পাশেই অবস্থিত। নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ ও সুলতান স্মৃতি যাদুঘর থেকে খুব কাছে এবং চিত্রা নদীর কোল ঘেঁষে এর অবস্থান।

 

কেন যাবেন?

  • নদী বিলাস: চিত্রা নদীর শান্ত জলরাশি এবং এর ওপর দিয়ে নৌ-ভ্রমণের অসাধারণ অভিজ্ঞতা নিতে।

  • পরিবারবান্ধব পরিবেশ: শিশুদের বিনোদনের জন্য আলাদা পার্ক এবং বড়দের জন্য প্রশান্তিময় হাঁটার পথ।

  • নিভৃত ছুটি: যান্ত্রিক জীবন থেকে দূরে থেকে চমৎকার সব কটেজে রাত্রিযাপনের আনন্দ নিতে।

  • ফটোগ্রাফি: নদীর ওপারের সূর্যাস্ত এবং রিসোর্টের সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ ছবি তোলার জন্য সেরা।

     

কখন যাবেন?

চিত্রা রিসোর্ট ভ্রমণের সেরা সময় হলো শীতকাল (অক্টোবর থেকে মার্চ)। তবে বর্ষাকালে চিত্রা নদী যখন পূর্ণ যৌবনা থাকে, তখন নদীর রূপ দেখতে অনেক পর্যটক এখানে ভিড় করেন।

 

কীভাবে যাবেন / রুট (স্টেপ বাই স্টেপ)

১. ঢাকা থেকে: গাবতলী বা সায়েদাবাদ থেকে নড়াইলগামী বাসে (হানিফ, তুহিন, ঈগল) পদ্মা সেতু হয়ে সরাসরি নড়াইল বাস টার্মিনালে নামতে হবে। সময় লাগবে ৩-৪ ঘণ্টা।

২. শহর থেকে রিসোর্ট: বাস টার্মিনাল বা শহরের যেকোনো পয়েন্ট থেকে রিকশা বা ইজিবাইকে করে মাত্র ১০-১৫ মিনিটে চিত্রা রিসোর্টে পৌঁছানো যায়।

৩. নদী পথে: চাইলে বড় নৌকা বা ট্রলার ভাড়া করে নদী দিয়ে ঘুরেও সরাসরি রিসোর্টের ঘাটে নামা যায়।

 

কী দেখবেন?

  • চিত্রা নদীর ভিউ: রিসোর্টের সীমানা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া সুন্দর নদী।

  • মিনি চিড়িয়াখানা: এখানে ছোট পরিসরে হরিণসহ কিছু পশুপাখি দেখা যায়।

  • সুইমিং পুল ও পার্ক: বড়দের জন্য আধুনিক পুল এবং শিশুদের জন্য রাইড সমৃদ্ধ পার্ক।

  • সুলতান কমপ্লেক্স: রিসোর্টের খুব কাছেই শিল্পী এস এম সুলতানের বাড়ি ও নৌকা 'শিশুস্বর্গ' দেখা যায়।

 

খরচ

  • প্রবেশ ফি: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ১০০-১৫০ টাকা।

  • কটেজ ভাড়া: সুবিধাভেদে ৩,৫০০ টাকা থেকে ৮,০০০ টাকা (প্রতি রাত)।

 

পরিবহন ও খাওয়ার ব্যবস্থা

  • পরিবহন: ইজিবাইক ও রিকশা স্থানীয় চলাচলের প্রধান মাধ্যম।

  • খাবার: রিসোর্টের ভেতরে নিজস্ব রেস্টুরেন্ট আছে। এখানে গ্রামীণ রান্নার পাশাপাশি চাইনিজ ও ইন্ডিয়ান খাবার পাওয়া যায়। চিত্রা নদীর তাজা মাছের পদগুলো এখানকার বিশেষত্ব।

 

যোগাযোগ ও আবাসন ব্যবস্থা

  • আবাসন: রাত্রিযাপনের জন্য এখানে কাঠের ও আধুনিক ইটের তৈরি লাক্সারি কটেজ রয়েছে। নিরিবিলি থাকতে চাইলে নদীর পাড়ের কটেজগুলো আগে বুকিং দেওয়া ভালো।

  • যোগাযোগ: সরাসরি রিসোর্টের অফিসিয়াল নম্বরে ফোন করে বা অনলাইনে বুকিং নিশ্চিত করা যায়।

 

দৃষ্টি আকর্ষণ ও সতর্কতা

  • নদীতে নৌকা ভ্রমণের সময় শিশুদের সাথে রাখুন।

  • রিসোর্টের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন; যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলবেন না।

  • অনুমতি ছাড়া কারো ব্যক্তিগত কটেজের সামনে অহেতুক ঘোরাঘুরি করবেন না।

 

আশেপাশের দর্শনীয় স্থান

  • শিল্পী এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।

  • নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ।

  • কালিয়া উপজেলার অরুনিমা ইকো পার্ক (কিছুটা দূরত্বে)।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.