Header Ads

মুনশি একাডেমি

শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
নোট ও সাজেশন বিসিএস ও এনটিআরসিএ বি.এড ও ব্যাংক প্রস্তুতি

ব্যাকরণ: সংজ্ঞা, বিবর্তন ও আলোচ্য বিষয়

ব্যাকরণ: সংজ্ঞা, বিবর্তন ও আলোচ্য বিষয়

রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কি, রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কী, মঙ্গলকাব্যের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য, মঙ্গলকাব্যের সংজ্ঞা, বাংলা ব্যাকরণ, ব্যাকরণ, ভারতীয় আর্য ভাষার বিবর্তন, বাংলা ব্যাকরণ : বচন, রূপতত্ত্বের উদাহরণসহ সংজ্ঞা, বাংলা ব্যাকরণ শিক্ষা, ৭ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ, রূপিমের উদাহরণসহ সংজ্ঞা, ৭ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ভাষা, বাংলা ব্যাকরণ প্রাইমারি টেট পরীক্ষা, নাটকের সংজ্ঞা, রূপিমের সংজ্ঞা দাও।, ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব, ভাষা কেন পরিবর্তন হয়, আবর্তন কিভাবে করতে হয়

ব্যাকরণ: সংজ্ঞা, বিবর্তন ও আলোচ্য বিষয়



ব্যাকরণ কাকে বলে? বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাস ও আলোচ্য বিষয়।

বাংলা ভাষার শিক্ষার্থী বা গবেষকের জন্য ব্যাকরণ একটি অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু ব্যাকরণ শুধু যে নির্দিষ্ট নিয়মের সমষ্টি, তা নয়; এটি ভাষার আদি কাঠামো এবং তার প্রয়োগের মূল স্তম্ভ। আজ আমরা ব্যাকরণের সংজ্ঞা, এর উৎপত্তি, প্রয়োজনীয়তা এবং বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলো বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব।

 

ব্যাকরণ কী?

‘ব্যাকরণ’ শব্দের অর্থ হলো ভাষার সঠিক ব্যবহার ও গঠনবিধি নির্ধারণ করা। এটি মূলত ভাষার নিয়মাবলী যা আমাদের বাক্য গঠন, শব্দচয়ন, অর্থবোধ ও ভাবপ্রকাশে সুগঠিতভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করে। ব্যাকরণের মাধ্যমে আমরা ভাষার সৌন্দর্য ও শুদ্ধতা বজায় রাখতে পারি।

 

ব্যাকরণের উৎপত্তি ও ইতিহাস

বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। যদিও বাংলা ভাষার উত্পত্তি হাজার বছরের অধিক, কিন্তু বাংলা ব্যাকরণের স্বতন্ত্র রীতি এবং নিয়মাবলী দুটি শতকেরও কম সময়ের। বাংলা ব্যাকরণের আধুনিক কাঠামোতে সংস্কৃত ভাষার প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন নিয়ম, যেমন- কারক ও বিভক্তি, সরাসরি সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে বাংলায় স্থান পেয়েছে। যদিও বাংলায় এ নিয়মগুলো কিছুটা ভিন্ন রূপ নিয়েছে, তবু মূল কাঠামো সংস্কৃত থেকে এসেছে।

বাংলা ব্যাকরণের বিকাশে বিভিন্ন ব্যাকরণবিদ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদান উল্লেখযোগ্য। যেমন- উনিশ শতকের সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনায় ব্যাকরণের নিয়মগুলি প্রবর্তিত হয়। পরবর্তীতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলা বানান ও ব্যাকরণের মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

 

ব্যাকরণ বিষয়ক গ্রন্থ ও আলোচ্য বিষয়

বাংলা ব্যাকরণের বিভিন্ন দিককে বুঝতে আমাদের জানা প্রয়োজন এর আলোচ্য বিষয়সমূহ। এগুলো হলো ভাষার মৌলিক কাঠামো, শব্দ, পদ, বাক্য, ধ্বনি, বিভক্তি, সমাস, সমার্থক ও বিপরীত শব্দ, ক্রিয়া, কাল, লিঙ্গ, পুরুষ, কারক ইত্যাদি। এই বিষয়গুলোর প্রতিটি একটি স্বাধীন অধ্যায় হিসেবে শিখলে আমরা ভাষার গঠন ও প্রয়োগ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারি।

বলা যায়, বাংলা ব্যাকরণ কোনো বিচ্ছিন্ন নিয়ম নয়; এটি একটি জটিল কিন্তু সুসংগঠিত ব্যবস্থা যা আমাদের ভাষাগত যোগ্যতা ও সাহিত্যিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ব্যাকরণবিদগণ সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রভাবকে অস্বীকার না করে বাংলার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োগের ভিত্তিতে ব্যাকরণ নির্ধারণ করেছেন।

সংক্ষেপে বলা যায়, ব্যাকরণ হলো ভাষার প্রাণ। এটি না জানা মানে ভাষার মূল কাঠামোকে অজ্ঞাত রেখে লেখালিখি করা। বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃতের প্রভাব স্পষ্ট হলেও এটি স্বাধীনভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলো জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, সাহিত্যচর্চা এবং ভাষাগত দক্ষতার জন্য অপরিহার্য। সুতরাং বাংলা ব্যাকরণ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান অর্জন করা শিক্ষার্থী ও গবেষকের জন্য একটি মূল্যবান অর্জন।


ব্যাকরণ কাকে বলে

ব্যাকরণকে বলা হয় ভাষার সংবিধান।ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়ম শৃঙ্খলার আলোচনাই ব্যাকরণ। ব্যাকরণ বিশ্লেষণ করে—নির্দেশ করে না বা বিধি প্রণয়ন করে না, বর্ণনা করে মাত্র। ব্যাকরণ ভাষার প্রকৃতি ও স্বরুপ বিশ্লেষণ করে এবং অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন,রীতিনীতি শৃঙ্খলাবদ্ধ করে থাকে।ভাষা নদীর মতো প্রবাহমান।এ প্রবাহই ভাষার প্রাণ।মুখে মুখে ভাষার যে পরিবর্তন ঘটে তাতে অনেক নতুন নিয়মের সৃষ্টি হয়। সে নিয়ম কালক্রমে ব্যাকরণের অন্তর্ভূক্ত হয়। ভাষা ব্যাকরণকে নয় বরং ব্যাকরণই ভাষাকে অনুসরণ করে। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে, যে শাস্ত্রে কোনো ভাষাকে বিশ্লেষণ করে তার স্বরূপ আকৃতি ও প্রয়োগের নীতি বুঝিয়ে দেওয়া হয়, সেই শাস্ত্র কে বলে সেই ভাষার ব্যাকরণ। ব্যাকরণ হল ভাষার বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ।অর্থাৎ যা প্রমাণিত এবং সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত সেসব নিয়মকানুনই ব্যাকরণের অন্তভুর্ক্ত হবে। কাজেই আমরা বলতে পারি ভাষা ব্যাকরণকে নয় বরং ব্যাকরণই তার গতিপথ বদলায় ভাষাকে অনুসরণ করে।কারণ ভাষা পরিবর্তনশীল এবং সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত প্রমিত বিধানই ব্যাকরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

 

বাংলা ব্যাকরণ কাকে বলে

"ব্যাকরণ" (বি+আ+কৃ+অন ) একটি সংস্কৃত শব্দ যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা। কোন ভাষাকে বিশ্লেষণ করলে সেই ভাষার উপকরণ এবং উপাদানগুলোকে পৃথকভাবে চিহ্নিত করে ভাষার অভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা সম্পর্কে জানা যায়। ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কারের নামই ব্যাকরণ । ব্যাকরণ ভাষার শৃঙ্খলা রক্ষা করে নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করে এবং তা প্রয়োগের রীতি সুত্রবদ্ধ করে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, যে শাস্ত্র জানিলে বাঙ্গালা ভাষা শুদ্ধ রুপে লিখিতে, পড়িতে ও বলিতে পারা যায়,তাহার নাম বাঙ্গালা ব্যাকরণ । ব্যাকরণের আলোচ্য কয়টি ও কি কি তা জানার আগে চলুন আমরা ধাপে ধাপে জেনে আসি ব্যাকরণ বিষয়ক গ্রন্থের ক্রমবর্ধমান ইতিহাস। অর্থাৎ শুরুতে কারা ব্যাকরণ রচনা সাথে জড়িত ছিলেন এবং তাদের অবদান কি বাংলা ব্যাকরণকে আজকের পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করতে।

 

পাণিনি কে ছিলেন

পাণিনি উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ বৈয়াকরণ ছিলেন। তার রচিত বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'অষ্টাধ্যায়ী' । সংস্কৃত ব্যাকরণ চর্চায় যাঙ্ক খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী , পাণিনি খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী, কাত্যায়ন ও পতঞ্জলি খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে বিস্ময়কর প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। পাণিনি, কাত্যায়ন ও পতঞ্জলি ব্যাকরণ শাস্ত্রের ত্রিমুনি নামে অভিহিত। পতঞ্জলি ছিলেন পাণিনির ব্যাকরণের ঘোর সমর্থক আর কাত্যায়ন ছিলেন সমালোচক।

 

পৃথিবীর প্রথম ব্যাকরণের নাম কী

খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে ল্যাটিন ভাষায় “ডি লিঙ্গুয়া ল্যাটিনো” নামে প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন ভাররো। ল্যাটিন ভাষার পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ “ইনস্টিটিউনেস গ্রাম্মাতিকেই” নামে রচনা করেন প্রিস্কিয়ানস।

 

বাংলা ব্যাকরণের প্রথম গ্রন্থের নাম কী

পর্তুগিজ ভাষায় মনোএল দ্য আসসুম্পসাও রচিত `Vocabulario Em Idioma Bengalla , E Portuguez Dividido Em Duas Partes’ . এটি রোমান হরফে ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত একটি অভিধান।

 

বাংলা ভাষার দ্বিতীয় ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম কী

বাংলা ভাষার দ্বিতীয় ব্যাকরণ রচয়িতা ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড । তাঁর A Grammar of the Bengal Language গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে চার্লস উইলকিনসের হুগলীর মুদ্রণযন্ত্র থেকে এর অংশ বিশেষ বাংলায় মুদ্রিত হয়। ব্রাসি হ্যালহেড সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ সহযোগে বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ করেন।

 

বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনার প্রথম প্রচেষ্টা কে করেন

“বাঙ্গালা শিক্ষাগ্রন্থ” (১৮২১) নামে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনার প্রথম প্রচেষ্টা চালান রাধাকান্ত দেব ।

 

বাঙ্গালি রচিত বাংলা ভাষার পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম কী

রাজা রামমোহন রায় রচিত “Benali Grammar in English Language”. যা ১৮২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি পরবর্তীতে ১৮৩৩ সালে তিনি “গৌড়ীয় ব্যাকরণ” নামে অনূদিত করেন যা বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। 

 

বাংলা ব্যাকরণ: গ্রন্থ ও আলোচ্য বিষয়সমূহ

বাংলা ব্যাকরণ একটি সুসংগঠিত বিষয়। এটি শিক্ষার্থীর ভাষাগত যোগ্যতা বৃদ্ধি ও সাহিত্যিক দক্ষতা উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলা ব্যাকরণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রন্থআলোচ্য বিষয় রয়েছে, যা দীর্ঘ সময়ে নানা গবেষক ও ভাষাবিদ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 

১. বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ক প্রধান গ্রন্থসমূহ

নিচের টেবিলে বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ, ভাষা ও রচয়িতা সংক্ষেপে দেখানো হলো:

ক্র. নংগ্রন্থের নামভাষারচয়িতা
1Vocabulario Em Idioma Bengalla, E Portuguez Dividido Em Duas Partesপর্তুগিজমনোএল দ্য আসসুম্পসাও
2A Grammar of the Bengal Languageইংরেজিন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড
3A Grammar of the Bengal Languageইংরেজিউইলিয়াম কেরী
4Benali Grammar in English Language (1826)ইংরেজিরাজা রামমোহন রায়
5গৌড়ীয় ব্যাকরণ (1833)বাংলারাজা রামমোহন রায়
6বাঙ্গালা ব্যাকরণ (1852) বাংলায় অনূদিতইংরেজিশ্যামাচরণ সরকার
7ব্যাকরণ কৌমুদী (1853)বাংলাঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
8ভাষাবোধ বাঙ্গালা ব্যাকরণবাংলানকুলেশ্বর বিদ্যাভুষণ
9ব্যাকরণ মঞ্জরীবাংলাড. মুহাম্মদ এনামুল হক
10বাংলা ব্যাকরণবাংলাড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
11আধুনিক বাংলা ব্যাকরণবাংলাজগদীশ চন্দ্র ঘোষ
12বাংলা ভাষার ব্যাকরণবাংলামুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার
13অভিনব ব্যাকরণবাংলাকাজী দীন মুহাম্মদ ও সুকুমার সেন
14ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণবাংলাড. সুনীতি কুমার চট্রোপাধ্যায়
15প্রমিত ভাষার বাংলা ব্যাকরণবাংলারফিকুল ইসলাম ও পবিত্র সরকার
16The Origin and Development of the Bengali Language (ODBL)ইংরেজিড. সুনীতি কুমার চট্রোপাধ্যায়

 

২. বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ অনুসারে বাংলা ব্যাকরণের পরিধি পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়:

  1. ধ্বনি প্রকরণ

  2. শব্দ প্রকরণ

  3. বাক্য প্রকরণ

  4. ছন্দ প্রকরণ

  5. অলংকার প্রকরণ

সাধারণভাবে, সকল ভাষার ব্যাকরণে প্রধান আলোচ্য বিষয় চারটি:

  1. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology)

  2. শব্দতত্ত্ব / রূপতত্ত্ব (Morphology)

  3. বাক্যতত্ত্ব / পদক্রম (Syntax)

  4. অর্থতত্ত্ব (Semantics)

     

অতিরিক্ত আলোচ্য বিষয়: অভিধানতত্ত্ব (Lexicography), ছন্দ ও অলংকার

Pro Tip: ধ্বনি, বর্ণ ও সন্ধি ছাড়া বাকি বিষয়গুলো মূলত শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়; বাক্য ও অর্থতত্ত্ব আলাদা।

 

৩. আলোচ্য বিষয়সমূহের বিস্তারিত

ক. ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়

  • ধ্বনি ও ধ্বনির উচ্চারণ

  • ধ্বনির বিন্যাস

  • ধ্বনির পরিবর্তন ও লোপ

  • বর্ণ

  • সন্ধি

  • ষ-ত্ব বিধান, ণ-ত্ব বিধান

খ. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়

  • শব্দের প্রকার

  • পদের পরিচয়

  • শব্দগঠন

  • উপসর্গ, প্রত্যয়

  • বিভক্তি

  • লিঙ্গ, বচন

  • ধাতু, শব্দরূপ

  • কারক

  • সমাস

  • ক্রিয়া-প্রকরণ, ক্রিয়ার কাল ও ভাব

  • শব্দের ব্যুৎপত্তি

গ. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রমের আলোচ্য বিষয়

  • বাক্য ও বাক্যের অংশ

  • বাক্যের প্রকার

  • বাক্য পরিবর্তন

  • পদক্রম

  • বাগধারা

  • বাক্য সংকোচন

  • বাক্য সংযোজক ও বিয়োজক

  • বাচ্য

  • যতিচ্ছেদ বা বিরামচিহ্ন

ঘ. অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়

  • শব্দের অর্থবিচার

  • বাক্যের অর্থবিচার

  • অর্থের বিভিন্ন প্রকারভেদ


 

 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.