Header Ads

মুনশি একাডেমি

শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
নোট ও সাজেশন বিসিএস ও এনটিআরসিএ বি.এড ও ব্যাংক প্রস্তুতি

অস্তিত্বহীন ১৫৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN স্থগিত করল ব্যানবেইস

অস্তিত্বহীন ১৫৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN স্থগিত করল ব্যানবেইস

অস্তিত্বহীন ১৫৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, 158 Fake Educational Institutions, ব্যানবেইস নোটিশ ২০২৬, BANBEIS Notice 2026, EIIN স্থগিত বাংলাদেশ, EIIN Suspended Bangladesh, ভুয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তালিকা, Fake School College List, ব্যানবেইস আপডেট নিউজ, BANBEIS Update News, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংবাদ, Education Ministry News BD, ১৫৮ স্কুলের ইআইআইএন বাতিল, 158 Schools EIIN Cancelled, অবৈধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ, Illegal Educational Institutions, শিক্ষা প্রশাসন ২০২৬, Education Administration 2026, অস্তিত্বহীন স্কুল কলেজ, Non-existent Schools and Colleges, শিক্ষাক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, Discipline in Education Sector, ব্যানবেইস ডাটাবেজ আপডেট, BANBEIS Database Update, এমপিও ও ইআইআইএন খবর, MPO and EIIN News, ভুল তথ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, Fraudulent Educational Institutions, ব্যানবেইস লেটেস্ট নোটিশ, BANBEIS Latest Notice, বাংলাদেশের শিক্ষা সংবাদ, Education News Bangladesh, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতি, Private Education Policy BD, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, DSHE Bangladesh Updates, শিক্ষা বোর্ড আপডেট, Education Board Update, অস্তিত্বহীন মাদরাসা ও কারিগরি, Fake Madrasa and Technical Institutions, ইআইআইএন স্থগিতের কারণ, Reasons for EIIN Suspension, ব্যানবেইস পরিসংখ্যান ২০২৬, BANBEIS Statistics 2026, শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার, Education System Reform, ভুয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, Action Against Fake Institutions, সফলতার গাইড শিক্ষা সংবাদ, Success Guide Education News.


মুনশি একাডেমি। ২৭ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৭

বার্ষিক শিক্ষা জরিপে তথ্য প্রদান না করা এবং মাঠ পর্যায়ে অস্তিত্ব খুঁজে না পাওয়ায় দেশের ১৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) সম্প্রতি এক চিঠির মাধ্যমে এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

 

কেন এই ব্যবস্থা?

ব্যানবেইস সূত্রে জানা গেছে, 'বার্ষিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরিপ ২০২৫' কার্যক্রম গত ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে বর্ধিত সময়সীমা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলে। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যেও যে সকল প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য অনলাইনে আপলোড করতে ব্যর্থ হয়েছে, প্রাথমিকভাবে তাদের বিরুদ্ধেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে ব্যানবেইস উল্লেখ করেছে যে, শুধু তথ্য না দেওয়াই নয়, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

 

তদন্তে উঠে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঠ পর্যায়ে তদন্ত এবং টেলিফোনিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা গেছে:

  • তালিকায় থাকা অনেক প্রতিষ্ঠানের কোনো একাডেমিক কার্যক্রম বর্তমানে চালু নেই।

  • বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব বা ভবন খুঁজে পাওয়া যায়নি।

  • কিছু প্রতিষ্ঠান শিক্ষা নীতিমালা লঙ্ঘন করে শুধুমাত্র শর্ট কোর্স পরিচালনা করছে।

 

কার্যকরী পদক্ষেপ

সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং একাডেমিক সুপারভাইজারদের সরাসরি প্রত্যয়ন ও সুপারিশের ভিত্তিতে এই স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে ব্যানবেইসের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে এই ১৫৮টি প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) এখন থেকে আর কার্যকর থাকবে না।

স্থগিত হওয়া এই তালিকার বিস্তারিত তথ্য মাউশিসহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে যাতে এসব ভুয়া বা অকার্যকর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.