আমি মিনতি করি রে-লিরিক্স
আমি মিনতি করি রে-লিরিক্স
তুমি বিনে আকুল পরাণ
থাকতে চায় না ঘরে রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে
আমি এই মিনতি করি রে
...এই মিনতি করি রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে
সাগরে ভাসাইয়া কুল-মান
তোমারে সঁপিয়া দিলাম আমার
দেহ-মন-প্রাণ
সর্বস্ব ধন করিলাম দান
তোমার চরণের তরে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে
আমারে ছাড়িয়া যদি যাও
প্রতিজ্ঞা করিয়া বলো
আমার মাথা খাও
তুমি যদি আমায় কান্দাও
...তুমি যদি আমায় কান্দাও
তোমার কান্দন পরে রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে
আমি এই মিনতি করি রে
এই মিনতি করি রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে
কুল-মান গেলে ক্ষতি নাই আমার
তুমি বিনে প্রাণ বাঁচেনা
কি করিব আর?
তোমার প্রেম-সাগরে
প্রেম-সাগরে তোমার করিম যেন ডুবে মরে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে
আমি এই মিনতি করি রে
এই মিনতি করি রে
সোনা বন্ধু ভুইলো না আমারে
বিশেষ ব্যাখ্যা ও তথ্য:
পাঠকদের জন্য এই গানের গভীর মর্মার্থ এখানে তুলে ধরা হলো:
নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ: "সাগরে ভাসাইয়া কুল-মান, তোমারে সঁপিয়া দিলাম আমার দেহ-মন-প্রাণ"—এই চরণের মাধ্যমে বাউল সাধক তাঁর জাগতিক সব সম্মান ও অহংকার বিসর্জন দিয়ে পরমাত্মার কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়ার কথা বলেছেন।
অভিশাপ নয়, ভালোবাসা: "তুমি যদি আমায় কান্দাও, তোমার কান্দন পরে রে"—এখানে বন্ধুকে ভয় দেখানো নয়, বরং প্রেমের এক চূড়ান্ত দাবি প্রকাশ পেয়েছে। যেখানে বিরহী হৃদয় বিশ্বাস করে যে, তার চোখের জল বৃথা যাবে না এবং প্রিয়তমও সেই যন্ত্রণার ভাগীদার হবেন।
প্রেম-সাগর: গানের শেষে "করিম যেন ডুবে মরে" বলতে কবি প্রেমের সাগরে বিলীন হয়ে যাওয়ার কথা বুঝিয়েছেন। এটি সুফিবাদ বা মরমী দর্শনের 'ফানা' (Fana) বা স্রষ্টার সত্তায় নিজেকে বিলীন করে দেওয়ার স্তরের সাথে তুলনীয়।
মিনতি: এটি মূলত একটি আর্তি বা প্রার্থনামূলক গান। যেখানে সাধক বারবার অনুরোধ করছেন যেন তাঁর পরম বন্ধু তাকে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে না ফেলেন।
গানের তথ্য:
গীতিকার ও সুরকার: শাহ আব্দুল করিম।
ধরণ: লোকসংগীত / মরমী গান।
বিশেষত্ব: গানটি এর সহজবোধ্য কথা এবং

কোন মন্তব্য নেই