Header Ads

মুনশি একাডেমি

শিক্ষা ও সাহিত্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
নোট ও সাজেশন বিসিএস ও এনটিআরসিএ বি.এড ও ব্যাংক প্রস্তুতি

ব্যাংক লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন (Bank Written Syllabus)

ব্যাংক লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন (Bank Written Syllabus)

 
ব্যাংক জব, পদসোপান, ব্যাংকিং ক্যারিয়ার, প্রবেশনারি অফিসার, ট্রেইনি অফিসার, সিনিয়র অফিসার, প্রিন্সিপাল অফিসার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এমডি, সিইও, ব্যাংকের পদসমূহ, ব্যাংকিং সেক্টর, পদোন্নতি, ক্যারিয়ার গাইড, অফিসার জেনারেল, ক্যাশ অফিসার, রিলেশনশিপ ম্যানেজার, শাখা ব্যবস্থাপক, Bank Job, Hierarchy, Career Path, Probationary Officer, Managing Director.

ব্যাংক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সফলতার জন্য লিখিত পরীক্ষা বা 'রিটেন' ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রিলিমিনারি কেবল বাছাই পর্ব হলেও, লিখিত পরীক্ষার নম্বর আপনার মেধাতালিকা নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। সরকারি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা সাধারণত ২০০ নম্বরের হয়।

 

নিচে বিভিন্ন পদের জন্য লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড মানবন্টন ছক আকারে দেওয়া হলো:

সরকারি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংক লিখিত পরীক্ষার মানবন্টন

বিষয় (Topic)সিনিয়র অফিসারঅফিসার (ক্যাশ)সহকারী পরিচালক (AD)অফিসার (জেনারেল)
Focus Writing (Bangla)৩৫৩৫৩৫৩০
Focus Writing (English)৩৫৩৫৩৫৩৫
Argument Writing৩০৩০৩০-
Precis Writing---২০
Mathematics (Creative)৩০৩০৩০২৫
Translation (E2B / B2E)১০২০১০৪০
General Knowledge (GK)৩০৩০৩০৩০
Comprehension৩০২০৩০২০
সর্বমোট নম্বর (Total)২০০২০০২০০২০০

 

প্রস্তুতি শুরুর সঠিক সময়

সরকারি ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রিলি ও লিখিত পরীক্ষা আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত হলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে সাধারণত একই দিনে একই প্রশ্নে MCQ এবং লিখিত অংশের পরীক্ষা হয়ে থাকে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস: ব্যাংক নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত সম্পন্ন হয়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর লিখিত পরীক্ষার জন্য খুব অল্প সময় পাওয়া যায়। তাই শুধু প্রিলিমিনারি পাসের আশা না করে, শুরু থেকেই প্রিলির পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

 

লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার ৩টি মূল মন্ত্র:

১. ফোকাস রাইটিং ও আর্গুমেন্ট: সমসাময়িক অর্থনীতি, ব্যাংকিং সেক্টর এবং বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে নিয়মিত পড়ার অভ্যাস করুন। তথ্য ও উপাত্ত (Data & Statistics) ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার লেখাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করুন।

২. গণিতের বেসিক: লিখিত পরীক্ষায় গণিতগুলো বিস্তারিত (Analytical) পদ্ধতিতে সমাধান করতে হয়। তাই শর্টকাট ভুলে গিয়ে ধাপে ধাপে অংক মেলানোর চর্চা করুন।

৩. অনুবাদ চর্চা: ইংরেজি থেকে বাংলা এবং বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদের জন্য নিয়মিত পত্রিকা পড়ুন। প্রতিদিন অন্তত দুটি অনুবাদ নিজে করার চেষ্টা করুন।

 

মনে রাখবেন: লিখিত পরীক্ষায় আপনার হাতের লেখা, উপস্থাপনা এবং সময়ের সঠিক বণ্টনই আপনাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে।

 

 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.